অতিরিক্ত লোডশেডিং || ইন্দুরকানীতে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে হামলা
ইন্দুরকানী প্রতিনিধি :
ইন্দুরকানীতে অব্যাহত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিক্ষুব্দ গ্রাহকরা শনিবার রাতে উপজেলার বালিপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে হামলা চালায়। এসময় তারা অফিসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং গেট ভাংচুরের চেষ্ঠা চালায়। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা বিক্ষুব্দদের শান্ত করেন। ইন্দুরকানী উপজেলায় ধারাবাহিক বিদুৎতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে পাড়েরহাট বন্দরের বরফ কলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। যার ফলে অসংখ্য মাছ ধরা ট্রলার সাগরে যেতে না পেরে ঘাটে অলস সময় কাটাচ্ছে। এছাড়া বিদ্যুৎ চালিত স-মিল, রাইস মিল, ওয়ার্কশপ সহ বিভিন্ন কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তেমনি কোন নামাজের সময় বিদুৎ না থাকায় মসজিদের মুসল্লিরা সহ সব শ্রেনী পেশার মানুষ বিদ্যুৎ বিভাগের উপর ফুসে উঠেছে। সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌছে দেয়ার কথা বললেও প্রকৃত সেবা পাচ্ছে না গ্রাহকরা।
এই উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের বালিপাড়া অফিসের দায়িত্বে থাকা লাইন ইনচার্জ মোঃ গিয়াস উদ্দিনের মোবাইল নম্বরটি প্রায়ই বন্ধ পাওয়া যায়। কোন সমস্যা হলে অথবা বিদ্যুতের লোডশেডিং বেশি হলে সে ইচ্ছা করেই তার নম্বরটি বন্ধ করে রাখে। ঝড়-বৃষ্টির আভাস পেলেই পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এ উপজেলার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। দৈনিক ১৫ থেকে ২০ বার লোডশেডিং হয়ে থাকে। প্রায় রাতেই গ্রাহকদের অন্ধকারে থাকতে হয়। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ ঘন্টার বেশি বিদ্যু থাকে না। ২৪ ঘন্টার অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুতের লোডশেডিং থাকে। ফলে গ্রাহকরা প্রচন্ড গরমে সীমাহিন দুর্ভোগের মধ্যে দিন-রাত কাটাতে হচ্ছে। বালিপাড়া অফিসের দায়িত্বে থাকা লাইন ইনচার্জ মোঃ গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ জানান, এ এলাকায় গ্রাহক বেশি অথচ মাত্র ০৫ জন স্ট্যাফ দিয়ে চলছে অফিস। জনবলের ঘাটতি থাকায় গ্রাহক সেবায় কিছুটা বিঘœ ঘটছে। এছাড়া ভেড়ামারা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিপর্যয়ের কারণে বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
