মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ইট পোড়ায় আমের মুকুলসহ ফলদ বাগানের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা
মঠবাড়িয়ায় বসতবাড়ির পাশে অবৈধ ইটের পাঁজা স্থাপন করায় আম গাছের মুকুল অংকুরেই বিনষ্টসহ ফলদ বাগানের ক্ষতি ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় জানখালী গ্রামের সৌদি প্রবাসীর ছেলে কলেজ ছাত্র কাওসার আহমেদ জানান, পাঁজার আগুনে বাগান বাড়ীর বনজ গাছ ও পরিবেশ দুষণের আশংকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতমোর ইউপির সৌদি প্রবাসী নাসির উদ্দিন গত ৪ বছর আগে উপজেলা কৃষি দপ্তরের পরামর্শে কয়েক হাজার টাকা ব্যয় বাড়ীর আঙ্গিনায় একটি আমের বাগান করে। ওই বাগানের আম গাছে বর্তমানে মুকুল ধরেছে। তার বসত বাড়ীর সংলগ্ন খালের অপর পারে সীমান্তবর্তী গোলবুনিয়া গ্রামের আবদুল হকের পুত্র কবির হোসেন অবৈধ ভাবে পাঁজায় পোড়ানোর জন্য ইট তৈরী করে। ওই ইটের পাঁজায় আগুন দিলে ধোয়ায় আম গাছের মুকুল ও বনজ বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হবে। আরও জানা যায়, এর আগেও গত ২/৩ বছর আগে ওই ইটের পাজায় অবাধে গাছ পোড়ানোর ফলে ধোয়ার আগ্রাসনে পড়ে তার ফলদ ও বনজ গাছের ক্ষতিসহ পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইটের পাঁজার মালিক কবির হোসেনের কাছে ইট পোড়ার বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউএনও অফিসকে মৌখিক ভাবে জানিয়ে ইট পোড়াই। অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। কেননা, অভিযোগকারীর বাড়ী ইট পোড়ানোর স্থান হতে অনেক দূরে। তিনি বলেন গত ৩ বছর আগে ওই প্রবাসী নাসির উদ্দিন আমার কাছ থেকে বাকী টাকায় ইট নেয়। ওই পাওনা টাকা চাইতে গেলে সে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিএম সরফরাজ বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
