প্রধান সূচি

আওয়ামী সরকারের টার্গেট ছিল দেশটাকে ভারতের হাতে তুলে দেয়া : মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা শাহজাহান বলেছেন, বিগত আওয়ামী সরকারের টার্গেট ছিল একটা আলট্রা সেকুলার রাষ্ট্র কায়েম করে দেশটাকে ভারতের হাতে তুলে দেয়া। আর এই পথে প্রধান বাঁধা ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং হক্কানী ওলামায়ে কেরাম। আর এই বাঁধা অপসারণ করার জন্যই তারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেই প্রথমে সেনাবাহিনীর ৫৭জন মেধাবী অফিসারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এরপরে তারা জামায়াতে ইসলামীকে নি:শেষ করে দেয়ার জন্য জামায়াতের দেশপ্রেমিক এবং আল্লাহ ভীরু নেতৃবৃন্দকে বিচারের নামে হত্যা করেছে।
প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে মাওলানা শাহজাহান বলেন, আপনারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রমাণ করুন যে আপনারা ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা নন।
তিনি বলেন, আগে পুলিশ গ্রেফতার করলে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে জিজ্ঞেস করলে তারা বলতো, উপরের নির্দেশ। এখন আর উপরে নির্দেশ নেই, সুতরাং এখন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আপনাদেরকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনারা ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা নন। আর যদি সেটা না পারেন, তাহলে ছাত্র-জনতা আপনাদেরকেও ছাড় দিবে না। যেমনি করে ছাত্র-জনতা দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে তেমনি করেই সকল প্রকার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে জনতা ঐক্যবদ্ধ আছে।
শনিবার পিরোজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কতা বলেন।
কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেলা আমীর অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদের সভাপতিত্বে রুকন সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, আওয়ামী লীগ দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ, লুটপাট করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। অথচ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শত জুলুম নির্যাতনের পরেও টিকে আছে। দেশ নতুনভাবে স্বাধীন হওয়ার পর অনেক রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে তাড়াহুড়া করেছে কিন্তু এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। জামায়াতের মূল কাজ হল মানুষের চরিত্র গঠন, জামায়াত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর অনুসৃত পদ্ধতিতে মানুষকে দাওয়াতের মাধ্যমে চরিত্র গঠন করে সহযোগী বানিয়ে কর্মী করে এবং রুকন তৈরি করে।

জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রবসহ সকল উপজেলা আমীর এবং জেলা শূরা, কর্ম পরিষদ সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial