প্রধান সূচি

ঘূর্ণিঝড় রেমাল

পিরোজপুরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : ৫৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এ পিরোজপুরে ৩ লক্ষাধিক মানুষকে আশ্রয় দিতে ৫৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর প্রভাবে পিরোজপুরে রবিবার সকাল থেকে আকাশ মেঘলা রয়েছে। মাঝে মাঝে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও হালকা দমকা বাতাস বইছে। পিরোজপুর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত আওতায় রয়েছে।
জেলার কঁচা, বলেশ^র, কালিগঙ্গাসহ বিভিন্ন নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে এক থেকে দেড় ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা বাড়ছে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের নদীপাড়ের ৫ লক্ষাধিক মানুষের মাঝে। তবে এখন পর্যন্ত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যাওয়া শুরু করেনি।
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর ক্ষয়ক্ষতি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, দুর্যোগ আক্রান্তদের আশ্রয় দেয়ার জন্য ২৯৫টি সাইক্লোন শেল্টার এবং ২৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৫৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানে ৩ লক্ষাধিক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে।
তিনি আরও জানান, দুর্যোগে তাৎক্ষনিক সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে নগদ ৬ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, ৬১১ টন চাল, ১ হাজার ৩৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ৯৭ ব্যান্ডেল টিন মজুদ রয়েছে। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ৬৫টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সার্বিক যোগাযোগের জন্য মোট ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
জেলার ৭ উপজেলায় রেড ক্রিসেন্টের শতাধিক সদস্য ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত ও সচেতনাতায় মাইকিং করে চলছে। মঠবাড়িয়া উপজেলায় ২ হাজার ৪০০ সিপিপি’ব স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial