প্রধান সূচি

পিরোজপুরে চোরাচালানের মামলায়

তুষখালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান হাওলাদার কারাগারে

পিরোজপুরে একটি চোরাচালানের মামলায় জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান হাওলাদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।  সোমবার পিরোজপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার জামিনের জন্য হাজির হলে আদালতের বিচারক মো.মাসুম বিল্লাহ তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, অবৈধপথে ভারতে দেড় কোটি টাকার সুপারি পাচারকালে গত ২৪ জানুয়ারী রাতে পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) থানার পুলিশ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর বিনয়েকপুর এলাকা থেকে দুটি ট্রলারসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে। এ সময় ট্রলার মালিক এবং চোরাকারবারের মূল হোতা ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান হাওলাদার পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নেছারাবাদ থানায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান হাওলাদার এবং গ্রেফতারকৃত ৩জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জনকে আসামী করে নেছারাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। উক্ত মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিন নেন। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার পিরোজপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তিনি আত্মসমার্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত মামলার জামিন শুনানী শেষে তাকে (ইউপি চেয়ারম্যান) জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য, মঠবাড়িয়ার তুষখালী ইউনিয়নের শাহাজাহান হাওলাদার দক্ষিণাঞ্চলের একজন প্রভাবশালী চোরাকারবারী হিসেবে এলাকায় জনশ্রæতি রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে শাড়ি, থ্রি-পিসসহ নানা জাতীয় দামীয় কাপড়, কসমেটিক্স সামগ্রী, বিদেশী মদসহ বিভিন্ন বিদেশী পণ্য নৌপথে বাংলাদেশে পাচার করে এনে চোরাকারবারীর ব্যবসা করতো। অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে সুপারিসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে পাচার করতো। তার নিজের মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি সমুদ্রগামী মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। আর এসব ট্রলারের মাধ্যমেই নৌপথে এসব চোরাচালানীর ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এছাড়া সড়ক পথেও রয়েছে তার চোরাচালানের ব্যবসা।
বিগত দিনে র‌্যাব-পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকবার তার চোলাচালানের ভারতীয় শাড়ি-কাপড়সহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করেছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial