প্রধান সূচি

উপকূলে আঘাত হেনে দুর্বল ‘মিধিলি’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম শেষ করে এখন দুর্বল হয়ে গেছে। মিধিলি এখন গভীর নি¤œচাপ আকারে পটুয়াখালী এলাকায় অবস্থান করছে।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় মিধিলি দুর্বল হয়ে যাওয়ায় মোংলা ও পায়রা বন্দরের সাত নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বন্দরের ৬ নম্বর বিপদ সংকেতও নামানো হয়েছে।
এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছিল, মিধিলি খুব বড় আকারের ঘূর্ণিঝড় হবে না। এটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তবে এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীতে বিকেল তিনটার দিকে ঘন্টায় ১০২ কিলোমিটার গতিতে বাতাস বয়ে যায়। এটিই ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে এর পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ এর প্রভাবে পিরোজপুরে জেলাব্যাপী দিনভর ভারী বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাস হয়েছে। তবে বড় ধরণের কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়া ও বৃষ্টিতে মানুষজন ছিল প্রায় ঘরবন্দি হয়ে। তবে ঝড়ো বাতাসে চাষকৃত আমন ধানের কিছু ক্ষতি হয়েছে। বাতাসে ধানসহ এবং সদ্য ধানের শিষ বের হওয়া আমন ধানের গাছ পানিতে শুয়ে গেছে। এতে আমন ধানের ক্ষতির আশঙ্কা করেছেন কৃষকরা। এছাড়াও রবি শষ্যের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কৃষকের। বৃষ্টিতে গাছের গোড়ায় পানি জমে শাক-সবজিতে পচন ধরার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial