প্রধান সূচি

পিরোজপুর-২ আসন

মহিউদ্দিন মহারাজকে এমপি হিসেবে চান আওয়ামী লীগ, জনপ্রতিনিধিগণসহ এলাকাবাসী

ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসন। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, জনপ্রতিনিধিগণসহ সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চান পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কর্মীবান্ধব তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা মো. মহিউদ্দিন মহারাজকে।
মহিউদ্দিন মহারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
এক সময় সাধারণ মানুষ জানতেন না যে জেলা পরিষদ কি, জেলা পরিষদের কাজ কি ? তবে ২০১৬ সালে জেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতামূলক নির্বাচনে পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রথমবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে পিরোজপুর জেলা পরিষদকে দেশের মধ্যে একটি মডেল জেলা পরিষদের পরিনত করেছেন। তিনি সাধারণ মানুষকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে জেলা পরিষদ দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করা যায়।
ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলা একাধিক জনপ্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী পিরোজপুর-আসনে যদি মো. মহিউদ্দিন মহারাজকে নৌকার মাঝি করে পাঠান তাহলে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত হবে।
এদিকে, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, ইউপি সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ব্যানার, ফেস্টুনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মহিউদ্দিন মহারাজকে পিরোজপুর-২ আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চান বলে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সাথে তারার প্রধানমন্ত্রীর কাছে মহিউদ্দিন মহারাজকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।
ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভান্ডারিয়া পৌরসভার মেয়র ফাইজুল রশিদ খসরু বলেন, আমরা এ আসনে নৌকার প্রার্থী চাই, নৌকা মার্কায় ভোট দিতে চাই। কেননা বিগত দিনে এ আসনটি ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে জাতীয়পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে মনোনয়ন দেওয়া হতো। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ বঞ্চিত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু’র জনসমর্থন নেই। তাই আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আমরা নৌকা মার্কার প্রার্থী চাই। সেক্ষেত্রে কর্মীবান্ধব এবং যিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন, যিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি আমাদের মহিউদ্দিন মহারাজ, তাকে মনোনয়ন দিলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।
নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠী পৌরসভার মেয়র গোলাম কবির জানান, মহিউদ্দিন মহারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাকে মনোনয়ন দিলে পিরোজপুর-২ আসন রক্ষা করা সম্ভব হবে। এ আসনে হাল ধরার মত যোগ্য প্রার্থী হচ্ছেন মো. মহিউদ্দিন।
ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা ব্যক্তি স্বার্থে নয়- কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। তাই এ আসনটিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যাতে মো. মহিউদ্দিন মহারাজকে নৌকার মাঝি করে আমাদের মাঝে পাঠান।
কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল আহমেদ সুমন বলেন, মহিউদ্দিন মহারাজ একজন আদর্শবান নেতা, তিনি কর্মীদের মূল্যায়ন করেন এবং সবসময়ই নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের খোঁজ খবর রাখেন। তরুণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেন, প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ ভিশন, গ্রাম হবে শহর এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই আসনে মহিউদ্দিন মহারাজের বিকল্প নেই। আমরা জনপ্রতিনিধিবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জোর অনুরোধ জানাচ্ছি।
ভান্ডারিয়ার ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান টুলু বলেন, মহিউদ্দিন মহারাজ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আমরা দেখেছি করোনাকালীন সময় তার (মহারাজ) ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রতিটি মানুষের দ্বারে দ্বারে সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ সকল ধরনের সহায়তা পেয়ে থাকেন তার মাধ্যমে। আমরা সবসময় তাকে কাছে পাই এবং তার হাত ধরেই এ অঞ্চলের উন্নয়ন চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করতে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মহিউদ্দিন মহারাজের বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি। তাই আমি আমার ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মহিউদ্দিন মহারাজকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জোর অনুরোধ জানাই।
ভান্ডারিয়া উপজেলা ইউপি মেম্বার এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, মহিউদ্দিন মহারাজ শুধু কর্মীবান্ধব নেতাই নন, তিনি সকল শ্রেণী পেশার মানুষের দ্বারে দ্বারে প্রধানমন্ত্রীর সেবা পৌঁছে দিয়ে থাকেন। তাই এমন নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আমরা সকল জনপ্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করছি- যাকে সর্বাবস্থায় যে কোনো সময় সাধারণ মানুষ কাছে পায়, যার দ্বারা সকাল পেশার মানুষ উপকৃত হয় এমন নেতা আমাদের মহিউদ্দিন মহারাজকে নৌকা মার্কার প্রার্থী করার জন্য।
তেলিখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শামসুদ্দিন হাওলাদার জানান, আমরা রাজনীতির শুদ্ধচর্চা শিখেছি আমার বড় ভাই মহিউদ্দিন মহারাজ এর কাছ থেকে। যিনি সবসময় মানুষের সুখে-দু:খে কাছে থাকেন, তিনি কখনোই নিজের জন্য রাজনীতি করেননি বরং সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সেবা এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জন্য রাজনীতি করেন।
ভান্ডারিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. এহসাম হাওলাদার বলেন অসহায়, গরীব, দু:খী, মেহননি মানুষের মাঝে সর্বদা আমরা যাকে কাছে পাই সে আমাদের মহিউদ্দিন মহারাজ ভাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তাকে নৌকার মাঝি করেন তাহলে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত ইনশা আল্লাহ্।
পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন মহারাজ বলেন, আমাকে যদি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-২ আসন থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে আমি আমার সকল শ্রম এবং প্রজ্ঞা দিয়ে এ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশা আল্লাহ্। আমি আশা করি প্রধানমন্ত্রী এ আসনের সর্বস্তরের মানুষের চাওয়া পূরণ করবেন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial