কাউখালীতে নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপি গ্যাস
নতুন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৪৯৮ টাকা। কিন্তু পিরোজপুরের কাউখালীতে খুচরা পর্যায়ে এই সিলিন্ডার কিনতে অতিরিক্ত ১৫০-২০০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
সরবরাহ কমের অজুহাত দেখিয়ে অধিকাংশ দোকানে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাস সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না। বর্তমানে নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি সিলিন্ডার বাড়তি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করে ১ হাজার ৪৯৮ টাকা। কিন্তু কাউখালীতে প্রতিটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
কাউখালী বাজারে খাবার হোটেল মালিক ইমাম হোসেন বলেন, আমরা টিভিতে বা পত্রিকায় গ্যাসের মূল্য কম দেখি, কিন্তু বাজারে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে আমাদের। আমরা চাই, সরকারি নির্ধারিত মূল্যে যেন গ্যাস বিক্রি করা হয়।
কাউখালীর বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা পলাশ সিকদার বলেন, ডিলার আমাদের কাছে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছে। আমরা তো গ্যাসের দাম বাড়ানোর কেউ না। প্রতিটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬০০ দরে বিক্রি করছি। এছাড়া চাহিদা মতো আমরা গ্যাস পাচ্ছি না।
জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পিরোজপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায় জানান, তারা এ বিষয়টি মনিটরিং করবেন। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে যদি কেউ বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করে তাহলে ভাইচারসহ ক্রেতাদের আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জানাতে হবে। তাহলে আমরা সাথে সাথেই পদক্ষেপ নিতে পারবো।
