স্বরূপকাঠতে দুই নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ
জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠিতে দুই নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্য সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মাহামুদকাঠি বাজারে নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও মুহিদুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুহিদ অভিযোগ করেন, মাহমুদকাঠি বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমীন নৌকা প্রতিক চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখরের নির্বাচন করেন। ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিঠুন হালদারকে সমর্থন দেন একই ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী আসিফ ইকবাল সোহেল। নৌকার সমর্থন দেয়ায় ক্ষোভে নির্বাচনের দিন মেম্বর প্রার্থী সোহেলের সমর্থকরা ব্যবসায়ি রুহুল আমিনকে শারিরিকভাবে লাঞ্চিত করেন। খবর পেয়ে আনারস প্রতিকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিঠুন হালদার রুহুল আমিনকে বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়ার আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিয়ে মিমাংসায় বসলে আমাকে (ইউপি সদস্য মুহিদ) দেখে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর অপর এক সমর্থনকারী নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য সোহেল আমার সাথে কথা কাটাকাটি করে। যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে আমিসহ আমার কর্মীরা আহত হয়।
৯ ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য জহিরুল অভিযোগ করেন, বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমীন নৌকার পক্ষে রাতে এলাকায় টাকা দিচ্ছিল। বিষয়টি ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী আসিফ ইকবাল সোহেলের সমর্থকরা রুহুলকে জিজ্ঞাসা করায় উভয়ের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। পরে স্বতন্ত্র আনারস প্রতিকের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মিঠুন হালদার বিষয়টি রুহুল আমীনকে সমাধান করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। রুহুল আমিন তা মেনে নেয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বাজারে বসে সালিশ মিমাংসা হয়। পরে মুহিদ মেম্বরের উস্কানিতে রুহুল আমিন বেকে বসে। আমি মুহিদকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে মুহিদের লোকেরা আমাকেসহ আমার কর্মীদের মারধর করে।
এদিকে, হামলার ঘটনায় থানায় উভয়পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেছেন। নেছারাবাদ থানার ওসি আবীর মোহাম্মদ হোসেন জানান, দুই পক্ষের দু’টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
