স্বরূপকাঠীতে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষন ॥ ৫০ হাজার টাকায় রফাদফার চেষ্টা
জেলার স্বরূপকাঠী উপজেলায় এক হত দরিদ্র মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের পর ৫০ হাজার টাকায় আপস মিমাংসা হয়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। উপজেলার করফা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানায় ছাত্রীটির পিতা দ্বীন ইসলাম শেখ বাদী হয়ে খায়রুল ও তার দুই সহযোগীকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ছাত্রীকে মেডিকেল করানোর জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জন অফিসে পাঠায়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর করফা গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের ৯ম শ্রেণীর ওই মাদরাসা ছাত্রী লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিবেশি সাইদুলের বাসায় কাজ করত। সাইদুলের ব্যবসায়ীক পার্টনার খায়রুল তাকে প্রায়ই কু প্রস্তাব দিত। বিষয়টি সাইদুলের স্ত্রী নাসরিনকে জানালে তিনিও খাইরুলের পক্ষ নিয়ে বিভিন্ন প্রকারে প্রলোভন দেখাত। ঘটনার দিন নাসরিন তার স্বামী বাড়ী নেই বলে তার কাছে ছাত্রী টিকে থাকার জন্য বলেন। ছাত্রীটি রাজি হয়ে ওই বাড়ী গেলে সেখানে খাইরুল তাকে বাগানে নিয়ে হাত-পা বেধে জোরপূর্বক ধর্ষন করে।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা হতদরিদ্র মেয়েটির পরিবারকে মিমাংসার কথা বলে কালক্ষেপন করে যাচ্ছেন। ২৭ জুন মেয়েটির পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে মিমাংসা হয়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এতে ছাত্রীর পরিবার রাজি না হওয়ায় ওই পরিবারকে হুমকি দিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
মামলার বিষয়টি ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ধর্ষনের ঘটনা মিমাংসা করা বা কালক্ষেপন করা বেআইনী। ভিকটিমকে মেডিকেল করানোর জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।
