বাগেরহাটে শিশু কেন্দ্রিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক পর্যালোচনা সভা
ঝড়, জলচ্ছাসসহ বিভিন্ন দুর্যোগে উপকূলীয় জেলাগুলো সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়। ওইসব এলাকার শিশুরাও দুর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। দুর্যোগের সময় বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তাই দুর্যোগের পূর্বে ও পরে এবং দুর্যোগের সময় শিশুদের সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে দুর্যোগের সময়ও তারা নিরাপদে থাকতে পারে। দুর্যোগের ফলে শিশুদের শিক্ষা গ্রহন যেন বন্ধ না থাকে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ে শিশু কেন্দ্রিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিসেফের প্রোগ্রাম অফিসার সুফিয়া আক্তার, এলজিসি’র বাগেরহাট জেলা সমন্বয়কারী মো. তাজুল ইসলামসহ ৯টি উপজেলার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।
বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলায় দুর্যোগের সময় শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষে জরুরী অবস্থায় শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় ইউনিসেফ এর আর্থিক সহযোগিতায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, উপকূলীয় এলাকার প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি এবং পরবর্তী করনীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে শিশুদের সক্ষম করে তুলতে হবে।
সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে রামপালের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুর্যোগ সচেতনতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সকল শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহবান জানান জেলা প্রশাসক।
