কাউখালীতে শীতের তীব্রতা ॥ শীতবস্ত্র কেনার হিড়িক
জেলার কাউখালীতে বাড়ছে শীতের প্রকোপ। শীতে সবচেয়ে বেশি অসহায় অবস্থায় আছে এ উপজেলার নিম্নআয়ের মানুষ। তাই শীতবস্ত্র কিনতে তাদের ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় করতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া উপজেলার নদীর পাড়ের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত আতঙ্ক দেখা গিয়েছে।
কাউখালী পোস্ট অফিস রোড ও ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পুরাতন কাপড়ের দোকান সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। এসব দোকানে কম দামে বিদেশী পুরোনো গরম কাপড় পাওয়া যায়। শুক্রবার ও সোমবার ছাড়াও প্রতিদিন গ্রাম ও শহরের শত শত নারী-পুরুষ আসছেন এ দোকানগুলোতে। কম পয়সায় পছন্দের গরম কাপড় দেখে শুনে কিনছেন ক্রেতারা।
কাউখালী বন্দরে সপ্তাহে দুইদিন (সোম, শুক্রবার) বিভিন্ন স্থানে মৌসুমী ব্যবসায়ী ছাড়াও ফুটপাতে দোকান বসে। ফুটপাতের দোকানদার জালাল হোসেন বলেন, সব শ্রেণি পেশার মানুষ আমাদের কাছে গরম কাপড় কিনতে আসেন। ১৫ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত শীতের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে সুয়েটার, ট্রাউজার, জ্যাকেট, মাফলার, মাংকি ক্যাপ, প্যান্ট, শার্ট ও মোজাসহ হরেক রকমের শীতের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারই বেশি। সেই সঙ্গে ভ্যান চালক, রিকশা চালক, দিন মজুরসহ হতদরিদ্র ও শীতার্ত মানুষ শীতবস্ত্র কিনছেন।
আমরাজুড়ি ইউনিয়নের রোঙ্গাকাঠী গ্রামের আশিষ (৪৫) বলেন, শীতের পোশাক বাজারে উঠতে শুরু করেছে। এখান থেকে ইচ্ছেমতো কম দামে গরম কাপড় কেনা যায়। তিনি আরো বলেন, পুরনো কাপড় না আসলে গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়তো।
