বাগেরহাটে ‘ক্রাস প্রোগ্রাম’ বাস্তবায়নে সভা
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন রবিবার জনপ্রতিনিধি, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান ও স্কুল-কলেজের প্রধানদের নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘ক্রাস প্রোগ্রাম’ বাস্তবায়নে দিক নির্দেশনামূলক আলাদা আলাদা সভা করেছেন।
এ বিষয়ে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. জি কে শামসুজ্জামান জানান, বাগেরহাট জেলার সরকারী হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগ সনাক্তে এনএ-ওয়ান টেষ্টের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সরকারীভাবে অন্য দুটি আইজিজি ও আইজিএম টেষ্টের কোন ব্যবস্থা নেই।
এদিকে, বাগেরহাট জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় সরকারী হিসেবে নতুন করে আরো ৮ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। রবিবার দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাটে জেলায় সরকারী হিসেবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৬ জনে। তবে বেসরকারিভাবে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো অনেক বেশী বলে বাগেরহাটের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারগুলোর তথ্যে জানা গেছে। হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী আসার খবরে বাগেরহাটের সর্বত্র ডেঙ্গু আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি চলছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি।
বাগেরহাটে জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৮ রোগীর মধ্যে বদরুল আলম, নুর ইসলাম, শোভন পাল, আ. আজিজ ও আবুল হোসেন। এদের সবার বাড়ি বাগেরহাট সদর উপজেলায়। অন্য একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এদিকে, শনিবার রাতে জোবায়দা বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধা উপজেলা শরণখোলা হাসপাতালে এলে সেখানে রক্ত পরীক্ষার কোন ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় একটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করে ডেঙ্গু আক্রান্ত বলে সনাক্ত করা হয়েছে।
