ইন্দুরকানীতে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু
ইন্দুরকানীতে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু চিকিৎিসক তোপের মুখে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের জসিম মীরের নবজাতক শিশুর জন্মের পর শ্বাস কষ্ট দেখা দিলে প্রাক্তন উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নুরুল ইসলামকে বাসায় নিয়ে যায়। পরে সে ওই শিশুকে দেখে ম্যাক্সসেফ-২৫০ ইনজেকশন নিজেই পুশ করে দেয়। অবস্থার কোন উন্নতি না হলে পরের দিন তার কথামত ম্যাক্সসেফ-২৫০ ও ডি-ফোর্ট ইনজেকশন মিলিয়ে একত্রে পুশ করার ৩ ঘন্টা পর ওই শিশুর মৃত্যু হয়। প্রথম ডোজ দেয়ার ২৪ ঘন্টা পর ২য় ডোজ দেয়ার কথা থাকলেও ১৬ ঘন্টা পর দেয়া হয়। পরিবারের দাবি এ কারণেই শিশুটি মারা গেছে। শিশুটি মারা যাওয়ায় ওই শিশুর পরিবারসহ স্থানীয়রা তার বিচার দাবিতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
শিশুটির পিতা মো. জসিম মীর জানান, আমার শিশুটি জন্মের পর অসুস্থ হলে ডা. নুরুল ইসলামকে বাসায় নিয়ে আসি। তিনি দেখে ব্যবস্থাপত্র দেন এবং নিজেই ইনজেকশন পুশ করেন। পরের দিন তার দেয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওই ইনজেকশন পুশ করার ৩ ঘন্টা পর আমার শিশু পুত্র মারা যায়। আমি এর বিচার চাই।
অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. নুরুল ইসলাম জানান, শিশুটির পিতা জসিম মীর শিশুটির অসুস্থের বিষয় জানালে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে শিশুটিকে দেখে ব্যবস্থাপত্র দেই এবং ম্যাক্সসেফ-২৫০ ইনজেকশন পুশ করি। তবে ওইদিন শিশুটি ভাল ছিল। পরের দিন ব্র্যাকের নার্স সাথী আক্তার আমার দেয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওই ইনজেকশন পুশ করে। পরে শিশুটি মারা যায়।
