ইন্দুরকানীতে স্বামীর বিরুদ্ধে গৃহবধুকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচারের অভিযোগ
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলা সদরে গৃহবধু শ্রাবন্তী মন্ডলকে হত্যা করে তার স্বামী বিজন মন্ডল আত্মহত্যার ঘটনা বলে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে।
শ্রাবন্তীর বাবা গনেশ চন্দ্র ঢালী সোমবার পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন।
খুলনার বাগমারা এলাকার কাঠ মিস্ত্রি গনেশ চন্দ্র অভিযোগে বলেন, ২০১৭ সালের ৩০ জুন তার মেয়ের সাথে দক্ষিণ ইন্দুরকানী গ্রামের মিউজিক মাস্টার বিজনের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে জামাই যৌতুক চাইলে প্রথমে ৭০ হাজার টাকায় একটি মোটর সাইকেল কিনে দেয়া হয়। পরে আরো চার লাখ টাকা দাবি করা হলে তা দিতে অসমর্থ হওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে বিজন শ্রাবন্তীর উপর দৈহিক নির্যাতন চালিয়ে এক পর্যায়ে গত ৭ এপ্রিল তাকে হত্যা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। খুলনা থেকে খবর পেয়ে গণেশ চন্দ্র ইন্দুরকানী থানায় এসে দেখতে পান মেয়ের লাশ পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে যাচ্ছে। পরে তিনি জানতে পারেন পুলিশ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা দেখিয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করেছে। তিনি এ ক্ষেত্রে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার অভিযোগ করে তার মেয়েকে হত্যার বিচার দাবী করেন। সংবাদ সম্মেলনে নিহত শ্রাবন্তীর মা ও সাবেক স্বামীর ঘরের ৮ বছর বয়সী শিশু কন্যা অনন্যা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, শ্রাবন্তীর মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা নিয়ে লাশের ময়না তদন্ত করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, বিজন শ্রাবন্তী দ্বিতীয় স্বামী ও শ্রাবন্তি বিজনের তৃতীয় স্ত্রী।
