উপজেলা নির্বাচনের জের
ইন্দুরকানীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে হামলা-সংঘর্ষ ॥ আহত-৭
ইন্দুরকানীতে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের মধ্যে হামলা- সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের হামলায় কমপক্ষে ৭ জন আহত এবং দুটি গাড়ী ভাংচুর করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থীরা শোডাউন করে পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে য়াওয়ার পথে পাড়েরহাট বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পরাজিত ভাইস চেয়াম্যান প্রার্থী ইকরামুল শিকদার ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমানের মধ্যে মোটর সাইকেলে ধাক্কা লাগলে কথার কাটাকাটিতে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। শোডাউন বহরে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃধা মনিরুজ্জামান ও ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন সবাইকে থামানোর চেষ্টা করলে তারা যুবলীগ নেতা কর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। তখন তারা যুবলীগ নেতা ইকরামুল শিকদারসহ অন্যান্যদের হুমকী দিলে তাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই দিন বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃধা মো. মনিরুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন তাদের সমর্থকদের নিয়ে খোলপটুয়া গ্রামের এক মুক্তিযোদ্ধার জানাজা থেকে ফেরার পথে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সাথে তাদের হামলা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে দুটি গাড়ি ভাংচুর, দুই গাড়ী চালকসহ ৭ জন আহত হয়। গুরুতর আহত কাশেম, সোহাগ, জুয়েলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃধা মো. মনিরুজ্জামান জানান, যুবলীগ নেতা ইকরামুল শিকদারের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে আমাদের নেতা কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় দুটি গাড়ি ভাংচুরসহ ৭ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত তিন জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, উপজেলা যুবলীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকরামুল শিকদার জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাকে প্রাণনাশের হুমকী দেয়ায় হামলা সংঘর্ষসহ অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে দুই দিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
