পাইকগাছা পৌর মেইন সড়কের বেহাল দশা
পাইকগাছা পৌর সদরের মেইন সড়কের জিরোপয়েন্ট হতে বাজার ডাকবাংলা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন রাস্তা সংস্কার না করায় রাস্তা ভেঙ্গে-চুড়ে ছোট-বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে ভাঙ্গাচোরা রাস্তার বড় গর্ত গুলোতে পানি ভরে ছোটছোট ডোবায় পরিণত হয়। এতে পথচারীরা পড়ে মহাবিপাকে। পানি ভরা গর্তে যানবাহনের চাকায় ছিটকে যাওয়া কর্দমাক্ত নোংরা পানিতে পথচারীরা ভিজে নাকাল হচ্ছে। বাস-ট্রাকের চাকায় ছিটকে আসা পানি থেকে রেহায় পেতে পথচারীরা রাস্তা ছেড়ে বাহিরে গিয়ে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে। দু’চাকার যানবাহনের চালকরা গর্তে পড়ে ভিজে নাকানী-চুবানি খেয়ে উঠছে। তাছাড়া রৌদ্রের সময় রাস্তার উপর জমে থাকা কাঁদা মাটি শুকিয়ে ধুলোবালিতে পরিণত হচ্ছে আর যানবাহন চলার সময় ধুলোই পুরা রাস্তা ভরে যাচ্ছে। এতে পিছনের পথচারীদের চলাচলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাছাড়া এই সড়কে সকল যানবাহন চলছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। প্রতিদিন পাইকগাছা থেকে ঢাকা ৩০/৩৫টি পরিবহন, ভারী ট্রাক, বাস ও হালকা যানবাহন সহ সহ¯্রাধিক যানবাহন চলাচল করছে। দক্ষিনাঞ্চলে মৎস্য উৎপাদন ও রপ্তানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান পাইকগাছা। প্রতিদিন প্রায় অর্ধ শতাধিক মৎস্যবাহী ট্রাক চলাচল করছে। ভাঙ্গাচোরা রাস্তার গর্তে পড়ে ভারী যানবাহনের এক্সেল ও পাতি ভেঙে রাস্তায় পড়ে থাকছে।
চিংড়ি পোনা সরবরাহ, কাঁকড়া ও চিংড়ি মাছ রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। তবে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারনে পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নের কথা ভেবে উপকূল অঞ্চলের এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি মেরামত করা খুব জরুরী দরকার।
এ ব্যাপারে পৌরসভার প্রকৌশলী নূর আহম্মেদ জানান, রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভাঙ্গা গর্তগুলো ভরাট করে সীলকোট করে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে। পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, রাস্তা সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে টেন্ডার হয়ে গেছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান। ঈদের আগে রাস্তাটি সংস্কার করা হোক এমন আশা করছে পৌরবাসী।
