প্রধান সূচি

পাইকগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে

পাইকগাছায় বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান ও বিচুলীর দাম বেশী থাকায় কৃষকরা খুশি। উপজেলায় পুরাদমে বোরো ধান কর্তন চলছে। উঁচু ক্ষেতের বোরো ধান কর্তন শেষ হয়েছে। তবে নিচু ও মৎস্য লিজ ঘেরে বোরো ক্ষেতের ধান কাঁটা ও মাড়াই চলছে। আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে পুরা জমির ধান কাটা সম্পন্ন হবে বলে কৃষকরা জানিয়েছে।
আবহাওয়া জনিত কারণ ও মৎস্য লিজ ঘেরগুলোতে দেরিতে আমনের আবাদ করা হয়। সে জন্য বোরো ধান কাটাও দেরিতে শুরু হয়। নতুন বোরো ধান আশানারূপ দামে বিক্রি হচ্ছে। নতুন বোরো ধান মন প্রতি এক হাজার ৫ শত থেকে ১১শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ধানের থেকে বিচুলীর চাহিদা ও মুল্য বেশী থাকায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৫হাজার ৬শত ৬৫ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। উঁচু ক্ষেত্রের ধান কাঁটা শেষ হয়েছে। মৎস্য লিজ ঘেরের ধান কাটা চলছে। প্রায় ৪০ ভাগ ক্ষেতের ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে, ৪০ ভাগ কর্তন চলছে আর ২০ ভাগ এখনও কাচা রয়েছে। হেক্টর প্রতি ফলন হাইব্রীড ৬.০৯ মেট্রিক টন, উফশী ৫.৫০ মেট্রিক টন হারে ফলন পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়া অনুুকূলে থাকায় ফলন আশানারূপ হয়েছে।
উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের পুরাইকাটী কৃষক ফারুক হোসেন জানান, ক্ষেতের দু’একটি শীষে ব্লাস্ট আক্রান্ত হয়েছে। তারপরও তার ৫ বিঘা জমিতে গতবারের তুলনায় এ বছর ফলন ভালো হয়েছে।
তোকিয়ার কৃষক শফিকুল জানায়, বোরো আবাদে খরচ বেশি হয়। ধানের দাম ভালো ও অধিক দামে বিচুলী বিক্রি হওয়ায় খরচ পুসিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, চলতি মৌসুমে বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও ক্ষেত সঠিকভাবে পরিচর্যা করায় বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। কৃষকরা ধান ও বিচুলীতে অধিক দাম পাওয়ায় বোরো চাষে তাদের আগ্রহ বেড়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial