ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী
বরযাত্রী নিয়ে বরপক্ষ কনের বাড়ীতে, সুসজ্জিত প্যান্ডেল। বিয়ে শুরু করতেই করেন বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাজির। বর ও কনে পক্ষের লোকজনের ছুটোছুটি, ইউএনওর কাছে ক্ষমা চাইলেন। তারপরও শেষ রক্ষা হলো না। ইউএনও বিয়ের আনুষ্ঠান বন্ধ করে দিলেন, ভেঙ্গে ফেললেন প্যান্ডেল। এমনি ঘটনা ঘটেছে রবিবার বিকেলে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া গ্রামে।
জানা গেছে, উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের ছগির হাওলাদারের মেয়ে এবং বালিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া আক্তারের (১৪) সাথে একই উপজেলার উত্তর কলারণ গ্রামের আব্দুল লতিফ বেপারির ছেলে শুক্কুর আলীর (২১) বিয়ের আয়োজন চলছিলো। তাৎক্ষনিক খবর পেয়ে ইন্দুরকানীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট লুৎফুন্নেসা খানম বিয়ে বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে বিয়ে বন্ধ করে ভেঙ্গে দেন বিয়ের প্যান্ডেল। এসময় তিনি ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বর ও কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আর এতে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী লামিয়া।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুন্নেসা খানম জানান, বাল্যবিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে বিয়ে বাড়ীতে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয় এবং বর ও কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
