স্বরূপকাঠিতে সরকারী ঘর দেয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার সারেংকাঠি ইউনিয়নে সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে আব্দুল লতিফ নামে এক অশীতিপর হতদরিদ্র বৃদ্ধর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে শেখর নামে এক মোটর সাইকেলের চালকের বিরুদ্ধে। জানা গেছে উক্ত মোটর সাইকেল চালক শেখর ওই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত চালক। সে ইউনিয়নের গোবিন্দকাঠি গ্রামের স্বপনের ছেলে। শেখর বৃদ্ধের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘর না দিয়ে দিনের পর দিন মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ঘুরিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঘর না পেয়ে বৃদ্ধ লতিফ টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাকে উল্টো হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শেখরসহ ইউপি চেয়ারম্যান নজর”ল ইসলাম। তারা বলছেন সব ষড়যন্ত্র।
ভুক্তভোগী বৃদ্ধ লতিফের অভিযোগে জানা যায়, লতিফ ইউনিয়নের মুনিনাগ গ্রামের একজন হতদরিদ্র লোক। তার থাকার জন্য মাথা গোঁজার ভাল কোন ঠাঁই নেই। শেখর একজন মোটর সাইকেল চালক। চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তার গাড়ীতে সব সময় আসা যাওয়া করে। তাই লতিফ মোটর সাইকেল চালক শেখরের কাছে একটি ঘরের জন্য কথা বলে। শেখর তাকে ঘর পাইয়ে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় কিছু কিছু টাকা পয়সা নিতো। ঘর দেওয়ার কথা বলে এভাবে শেখর ওই হতদরিদ্র বৃদ্ধার কাছ থেকে মোট ১০ হাজার ৭০০ টাকা নেয়। ঘর দেওয়ার কথা বলে এভাবে টাকা নেওয়ার পর বৃদ্ধ লতিফ তার কাছে ঘরের কথা বললেই শেখর তার উপর চটে যেতো। ঘর না পেয়ে শেখরের কাছে টাকা ফেরত চাওয়ায় তাকে এখন উল্টো হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শেখর বলেন, আমি তার কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেই নি। ওই বৃদ্ধ সব মিথ্যা বলছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, শেখর একজন মোটর সাইকেল চালক। প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে তার মোটর সাইকেলে করে যাতায়াত করি। শেখর ঘরের জন্য লতিফের কাছে কোন টাকা নেয়নি। এ নিয়ে এলাকায় শালিসে বসেছিলাম। সেখানে টাকা নেওয়ার কোন প্রমান বৃদ্ধ লতিফ দেখাতে পারেনি। শেখর আমার নির্বাচন করেছে। তাই প্রতিপক্ষরা ওই বৃদ্ধকে দিয়ে শেখরের বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে।
