প্রধান সূচি

বাগেরহাটে মহাষ্টমীতে করোনা থেকে মুক্তির প্রার্থনা

দূর্গা পূজার মহাষ্টমীতে কুমারী পূজা না হলেও করোনা থেকে মুক্তির জন্য মা দূর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন বাগেরহাটের ভক্তরা।

শনিবার সকাল থেকে বিভিন্ন পূজামন্ডপে পুস্পাঞ্জলীর মাধ্যমে মহাষ্টমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ফুল-বেলপাতা, ধূপ-দ্বীপ, বিভিন্ন ফলের সমাহারে দৃষ্টিনন্দন ভোগ সাজিয়ে আরাধনা করা হয় মা দূর্গার। ফুল ও বেলপাতা হাতে মা দূর্গার পায়ে অঞ্জলী দিয়েছেন অনেকে। তখন ঢাকের বাজনা, শঙ্ক আর উলুধ্বনীতে মুখোরিত হয়ে উঠে পূজামন্ডপগুলো। তবে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান থাকলেও উৎসবের আমেজ নেই মন্দিরে।

শনিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের শতবছরের প্রাচীনতম শ্রীশ্রী হরিসভা মন্দিরে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভক্তরা পর্যায়ক্রমে পুস্পাঞ্জলী দিচ্ছেন। এসময় বৈশ্বয়িক করোনা মহামারি থেকে মুক্তি পেতে ভক্তরা মা দূর্গার কাছে প্রার্থনা করেন।

মা দূর্গাকে অঞ্জলী দান শেষে শ্রাবনী পাল, মুক্তি রানী রায়সহ কয়েকজন ভক্ত বলেন, সরকারি নির্দেশে আমরা কুমারী পূজা করিনি। তারপরও পুস্পাঞ্জলী দিয়ে মা দূর্গার কাছে গোটা পৃথিবী থেকে করোনা মাহামারি থেকে মুক্তি চেয়েছি। আমরা চাই পৃথিবী যাতে আগের মত হয়ে যায়। আমরা সবাই যাতে স্বাভাবিক চলা ফেরা করতে পারি সেই প্রার্থনা করছি।

হরিসভা দূর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিলয় কুমার ভদ্র জানান, করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মন্দিরে প্রবেশের মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মুখে মাক্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্বল্প সংখ্যক করে করে দর্শনার্থীদের মন্দিরে প্রবেশ করানো হচ্ছে।

বাগেরহাট জেলায় এবছর ৬২১টি পূজামন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজামন্ডপগুলোতে টহলে রয়েছে পুলিশ। রবিবার মহানবী এবং সোমবার দশমীতে বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে ৫ দিনের দূর্গোৎসব শেষ হবে। এবছর মা দূর্গা দোলায় চড়ে কৈলাস থেকে মত্তলোকে এসেছেন। ৫ দিনের পূজা-অর্চনা শেষে গজে চড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন মা দূর্গা।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial