প্রধান সূচি

শরণখোলায় সোনালী ব্যাংকে ৫ লক্ষাধিক টাকার ৩৪টি জাল এফডিআর আটক

শরণখোলায় সোনালী ব্যাংক রায়েন্দা বাজার শাখায় ৩৪ টি জাল এফডিআর ধরা পড়েছে। বাগেরহাট জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর অনুকুলে এফডিআরের টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে জমা দিলে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীন মানব উন্নয়নের জন্য স্বাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ এর আওতায় বাগেরহাটের জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক গত ২৬ সেপ্টেম্বর ৩৮.৩৬০.০০২.০৯৪.২০১৬-১১১ নং স্মারকে সোনালী ব্যাংকে ২০১২ সালে ইস্যু করা ৩৪ টি এফডিআর পাঠান। যার টাকার পরিমাণ ৫ লাখ ১০ হাজার। বৃহস্পতিবার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) পরীক্ষা করে দেখা যায় ৩৪ টি এফডিআর সবগুলো জাল। ঘটনাটি জানাজানি হলে মানুষের মাঝে চাঞ্চল্য সৃস্টি হয়।

সোনালী ব্যাংক রায়েন্দা বাজার শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ধরণের এফডিআর সোনালী ব্যাংক রায়েন্দা বাজার শাখা থেকে ইস্যু করা হয়নি এমনকি এফডিআরের চেকের পাতায় ব্যাংক শাখার কোন সীল নেই। ওই নামে কোন হিসাবও এই শাখায় নেই।

এ ব্যপারে বাগেরহাটের জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক অগ্রজ কুমার রায় বলেন, ২০১২ সালে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মানব উন্নয়নের জন্য স্বাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ এর আওতায় শরণখোলা উপজেলায় ৩৪টি কেন্দ্র খুলে বেসরকারী সংস্থা “রিক”কে কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। নিয়মানুযায়ী রিক এনজিও’র ব্যাংকে প্রতি কেন্দ্রের অনুকুলে ১৫ হাজার টাকা করে ৩৪টি এফডিআর জমা করার কথা। রিক কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালে ৩৪টি এফডিআরের ৫ লাখ ১০ হাজার টাকার চেক জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর অফিসে জমা দিয়ে গেছেন। এখন সে গুলি জাল ধরা পড়লে সেজন্য দায়ী হবে এনজিও রিকের কর্মকর্তারা। বিষয়টি অচিরেই তিনি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

এনজিও রিকের বাগেরহাটের এরিয়া ম্যানেজার সোহেল রানা বলেন, তিনি এক বছর ধরে বাগেরহাটে দায়িত্ব পালন করছেন ২০১২ সালের এফডিআরের বিষয় তার কিছু জানা নেই। তখন যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারাই ভাল বলতে পারবেন বলে তিনি জানান।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial