প্রধান সূচি

ইন্দুরকানীতে গর্ভবতীদের প্রত্যয়নে টাকা নেয়ার অভিযোগ

জেলার ইন্দুরকানীতে গর্ভবতীদের প্রত্যয়নে ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে,  নিয়ম না থাকলেও উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের (স্যাকমো) দিলীপ কুমার ভক্ত গর্ভবর্তীদের প্রত্যয়ন দিয়ে জনপ্রতি দুইশত টাকা করে নিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এভাবে গর্ভবর্তীদের প্রত্যয়ন দিয়ে টাকা নিচ্ছেন।

গর্ভবতী ভাতা পেতে হলে গর্ভবর্তী কার্ডের সাথে পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র কর্তৃক দেয়া প্রমাণ স্বরূপ প্রত্যয়ন পত্র আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিতে হয়। পরবর্তীতে জমাকৃত আবেদনগুলো যাচাই বাছাই শেষে নিয়মানুযায়ী প্রাপ্যদের মাঝে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ ভাতার টাকা বিতরণ করা হয়। গর্ভবতী মায়েরা প্রতি মাসে ৮ শত টাকা করে তিন বছর পর্যন্ত এ ভাতার টাকা পাবেন। এবছরও ওই কর্মকর্তা বালিপাড়া ইউনিয়নের দুই শতাধিক গর্ভবতী নারীর কাছ থেকে প্রত্যয়ন ফি বাবদ জনপ্রতি দুইশত করে টাকা আদায় করেছেন।

এ ব্যাপারে চন্ডিপুর গ্রামের গর্ভবতী মা রহিমা বেগম, জেসমিন আক্তার জানান, আমরা পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে প্রত্যয়ন আনতে গেলে দিলীপ স্যার আমাদের কাছ থেকে দুইশত করে টাকা নিয়েছে। টাকা দিতে না চাইলে বলে টাকা না দিলে প্রত্যয়ন দেয়া যাবে না।

অভিযুক্ত (স্যাকমো) দিলীপ কুমার ভক্ত টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে  বলেন, কাগজ পত্র ছাপানোর খরচের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদেরদের মৌখিক কথায় আমি  গর্ভবতীদের প্রত্যায়নে টাকা নিয়েছি।

ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল হাওলাদার ও মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, আমরা ওই কর্মকর্তাকে টাকা নিতে বলিনি। শুনেছি সে গর্ভবতী মহিলাদের কাছ থেকে গর্ভবতী ফি বাবদ টাকা নিয়েছে।

বালিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন বয়াতী জানান, গর্ভবতীদের প্রত্যয়ন দিয়ে টাকা নেয়ার বিষয়টি আমি জানি না। আমি কাউকে টাকা নিতে বলিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. সোহাগ হোসেন জানান, প্রত্যয়ন দিয়ে টাকা নেয়ার কোন বিধান নেই। টাকা নেয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial