চিতলমারীতে চিত্রা নদী থেকে অবৈধ পাটা ও ভেসাল জাল অপসারণ
বাগেরহাটের চিতলমারীর মরা চিত্রা নদীসহ বেশ কয়েকটি সরকারি খাল থেকে অবৈধ পাটা ও ভেসাল জাল অপসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফুল আলম অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকার খাল-বিল থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক ভেসাল জাল ও বাঁশের পাটা অপসারণ করা হয়।
অপসারণ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন হিজলা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আজমীর আলী, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোয়েল মো. জিল্লুর রহমান রিগান, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী তৌশিলদার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাফাসহ সংল্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্যবৃন্দ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এ উপজেলার ৩টি নদী ও প্রায় ৫০টি খাল বর্ষা মৌসুমের শুরুতে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁশের পাটা ও ভেসাল জাল দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছে। এতে নদীতে ঠিকমত পানি ওঠানামা করতে না পারায় সামান্য বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে চিংড়ি ঘের তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দেয়।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফুল আলাম জানান, সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সরকারি জলাশয় থেকে নেট-পাটাসহ বিভিন্ন উপকরণ তুলে নেওয়ার জন্য ইতোপূর্বে একাধিক বার এলাকায় মাইকিং করা হলেও তা অপসারণ হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরো বলেন, নদী ও খাল দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা নির্মান করেছেন তাদের স্থাপনাও শিগ্রই উচ্ছেদ করা হবে।
