চিতলমারীতে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে খাল থেকে নেট-পাটা অপসারণ
বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিভিন্ন সরকারি খাল থেকে অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ করা হয়েছে। রবিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফুল আলমের হস্তক্ষেপে প্রায় সাত কিলোমিটার এলাকার খাল-বিল থেকে ভেসাল জাল ও বাঁশের পাটা অপসারণ করা হয়। এ সময় সদর ইউনিয়নের পাটরপাড়া থেকে শুরু করে বাখেরগঞ্জ বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন খাল থেকে এ জাল ও পাটা অপসারণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ নিজাম উদ্দীন, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার মো. মফিজুর রহমান, সাংবাদিক শেখর ভক্তসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্যবৃন্দ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চিতলমারী উপজেলায় ৩টি নদী, ৫০টি খাল ও বেশ কয়েকটি বিল রয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ২০/২৫ টি খালে ও বিলে বাঁশের পাটা দিয়ে অবৈধ ভাবে মাছ শিকার করে আসছে। ফলে এসব জলাশয়ের পানি প্রবাহের ক্ষেত্রে চরম বাঁধা সৃষ্টি করছে। এতে নদীতে ঠিকমত পানি ওঠা-নামা করতে না পারায় সামান্য বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে চিংড়ি ঘের তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা দেখা দেয়। ফলে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার মৎস্য চাষী।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফুল আলাম জানান, সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সরকারি জলাশয় থেকে নেট-পাটাসহ বিভিন্ন উপকরণ তুলে নেওয়ার জন্য ইতিপূর্বে একাধিকবার এলাকায় মাইকিং করা হলেও তা অপসারণ হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ এসব নেট-পাটা দিয়ে পুনরায় খাল দখল করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
