মঠবাড়িয়ায় এক বছরে ২১ শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু
২০১৮ সালে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পানিতে ডুবে ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন ছেলে এবং ১০ জন মেয়ে শিশু। দুই থেকে ছয় বছরের মধ্যে এসব শিশুদের পরিবারের অসচেতনতার কারণেই বাড়ি সংলগ্ন পুকুর বা ডোবায় পড়ে মৃত্যু হয়েছে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স সূত্রে জানাগেছে, গত বছর জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত উপজেলার পৌর শহরসহ বিভিন্ন এলাকার মোট ২১ জন শিশুর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। এরা হলো উপজেলার মানিকখালী গ্রামের মিজানুর রহমানের কন্যা জামিলা (২), দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের আমির হোসেনের পুত্র তামিম (৬), চালিতাবুনিয়া গ্রামের শহীদ মিয়ার পুত্র আব্দুল¬াহ (৫), পাতাকাটা গ্রামের নজরুল মুন্সীর পুত্র মাহফুজ (২), চরকগাছিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার কন্যা আফসানা (১), আঙ্গুলকাটা গ্রামের জাকিরের কন্যা লাভলী (৬), মিঠাখালী গ্রামের মাসুম এর কন্যা হুমায়রা (৩), দুর্গাপুর গ্রামের কালাম মিয়ার পুত্র সাকিব (২), সোনাখালী গ্রামের মোশারফ হোসেনের কন্যা রাইসা আক্তার (৮), খেজুরবাড়িয়া গ্রামের জালাল মিয়ার কন্যা বেবী (২), উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মনছুর আকনের পুত্র সাইফুল (১), ডৌয়াতলার ছগির মিয়ার পুত্র জোনায়েত (৪), পূর্ব রাজপাড়া গ্রামের চান মিয়া আকনের কন্যা সীমা (৫), পাঠাকাটা গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের পুত্র ইয়াসিন (১), উত্তর মিঠাখালী গ্রামের খোকন হাওলাদারের পুত্র জাহিদ (৫), তাফালবাড়িয়া গ্রামের জলিল মিয়ার কন্যা ফাতিমা (৪), বুড়িরচর গ্রামের নাসির মোল¬ার কন্যা নাসরিন (৫), ছোট শিংগা গ্রামের রফিক মিয়ার কন্যা রিয়া মনি (১), রাজপাড়া গ্রামের পারভেজ মিয়ার পুত্র তামিম (২), সবুজনগর এলাকার পলাশ মিয়ার পুত্র আরাফাত (৪) ও গোলবুনিয়া গ্রামের বিবেক চন্দ্রের পুত্র হৃদয় (দেড় বছর)।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশীষ দেবনাথ জানান, অভিভাবকদের শিশুদের প্রতি সচেতন হওয়া দরকার। এছাড়া শিশুদের পানিতে পড়া রোধ করতে স্বাস্থ্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো উচিত।
