ইন্দুরকানীতে ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা সহ ৪ জন কারাগারে
অবশেষে একবছর পর ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা সহ চার জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেয়ার পর রোববার ইটভাটা শ্রমিক মাসুম হত্যা মামলার সাজানো আসামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদুর রহমান সাঈদ, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সজীবসহ ৪ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী পিরোজপুর চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেডে সাইফুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।
এর আগে এই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে অভিযুক্ত হত্যা মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সাঈদুর রহমান, মাহবুবুর রহমান ফকির, বালিপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ শামীম, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সজীব, সাঈদুলসহ অন্য ৯ নেতাকর্মী চার সপ্তাহের জামিন লাভ করেন।
গত ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি রাতে উপজেলার কালাইয়া গ্রামে কচাঁ নদীর তীরে অবস্থিত এস.বি.এম ইটভাটার শ্রমিক টগড়া গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলামের ছেলে মাসুম (২৫) নিখোঁজ হয়। পরে অনেক খোজাখুজির পর ১৩ দিন পর বাগেরহাট জেলার শরনখোলা উপজেলার বলেশ^র নদীর বগী এলাকা থেকে পুলিশ তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। শরনখোলা থানা পুলিশ তখন একটি ইউডি মামলা দায়ের কওে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
নিহত নির্মান শ্রমিক মাসুমের বড় ভাই জুলু হোসেন ২৭ জানুয়ারী ইন্দুরকানী থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এবং পরে আদালতে স্থানীয় আওয়ামীলীগ যুবলীগ নেতা সহ ৯ জনের বিরুদ্বে হত্যা মামলা দেন মাসুমের বড় ভাই। ওই মামলা আদালতের নির্দেশে তাদের বিরুদ্বে ইন্দুকানী থানায় হত্যা মামলার এজাহার গ্রহন করেন পুলিশ। আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদুর রহমানের ছোট ভাই সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক মামলা দিয়ে রাজনীতি থেকে আমার ভাই ও অন্যান্য দলীয় নেতা কর্মীকে দুরে রাখার জন্য দলীয় প্রতিহিংসায় তাদেরকে এই মামলায় আসামী করা হয়েছে।
