বাগেরহাটে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
বাগেরহাট ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আ. মতিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য বিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দের পক্ষে খুলনা দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন মো. আবুল কালাম আজাদ নামের জনৈক ব্যক্তি।
খুলনা দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগে জানা যায়, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালিন আ. মতিন হাওলাদার বার্ষিক ভোজ অনুষ্ঠানে জন্য ছাত্রদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বার্ষিক ভোজের সকল টাকা টিফিন ফান্ড থেকে খরচ করেছেন এবং ছাত্রদের কাছ থেকে নেয়া এক লক্ষ ৮০ হাজার আত্মসাত করেছেন। এছাড়া ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেনীর অভিভাবক সমাবেশ দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা, নিয়ম বর্হিভূতভাবে ৩য় থেকে ৯ম শ্রেনী পর্যন্ত অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ছাত্র ভর্তি, স্কাউট ফান্ড থেকে পোষাক তৈরী ও বিএনসিসি ফান্ড থেকে ভূয়া ভাউচার দিয়ে মোটা অংকের টাকা, বিদ্যালয়ে বিবিধ ফান্ডের ১৮০০ জন ছাত্রের কাজ থেকে ২০০ টাকা করে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা তুলে বিদ্যালয়ে কোন কিছু না করে সম্পূর্ন টাকা আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া কৃষি ও বাগান, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, নবীনবরণ, বিদায় অনুষ্ঠান, লাইব্রেরী, পাঠাগার থেকে ভূয়া ভাউচারে অর্থ উত্তোলনের করেছেন বলে অভিযোগে পাওয়া গেছে। ১০ম ও ৮ম শ্রেনীর মডেল টেষ্টের টাকা আত্মসাত, বিজ্ঞান ও গবেষনা ফান্ড থেকে কিছু ক্রয় না করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগে রয়েছে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এটুআই কর্তৃক বরাদ্দ ২ লক্ষ ৫০ হাজার, আইসিটি ফান্ডের বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ভূয়া ভাউচার দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রয়েছে। ছাত্রদের নিম্নমানের পুরস্কার, বিদ্যালয়ের দোকান থেকে লভ্যাংশ নেওয়ার অভিযোগ, বই কোম্পানীর সাথে যোগ সাজোস করে ছাত্রদেরকে নিম্নমানের বই কিনতে বাধ্য করাসহ বিভিন্নভাবে বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের মোট ২৭টি অভিযোগ করা হয়েছে ওই অভিযোগ পত্রে।
এ বিষেয় শিক্ষক আ. মতিন হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে আমার ক্ষতি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।
