প্রধান সূচি

বাগেরহাটে পাচগাও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালাপ্রশাসনের হস্তক্ষেপে পুনরায় খোলায় প্রতিপক্ষের হামলা গ্রেফতার-১

বাগেরহাটের মোড়েলগজ্ঞের পাচগাও বাজারে নির্বাচন পরবত্তিতে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। এ ব্যপারে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে অবগত করলে মোড়েলগজ্ঞ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে স্থানীয় ফাড়ী ইনচার্জ এস. আই মেহেদী বুধবার সকালে পাচগাও বাজারে এসে ব্যবসায়ীদের খবর দিয়ে এনে বন্ধকৃত প্রতিষ্ঠানের তালা খুলে দেন।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, মোড়েলগজ্ঞের পাচগাও বাজারে জাহিদ হাওলাদারের হোটেল, ইমরান হোসেনের বিকাশ ও মোবাইল, মো. নান্টু খানের ইলেকট্রনিক্স, জাহিদ মোল্লার মুদি ও ডালিম হাওলাদারের চায়ের দোকান গত ৩০ তারিখ নির্বাচনের দিন রাতে এলাকার প্রভাবশালী আসাদ ও বদির নেতৃত্বে তালা লাগিয়ে দেয়। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে অবগত করা হলে শুক্রবার সকালে দারোগা এসে দোকানের তালা খুলে দেয়। এদিন বিকালে কামরুল ও ছরোয়ারের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের একদল ক্যাডার হোটেলে ঢুকে মালিক শাহ আলম (৫২)কে হাতুরী দিয়ে বেদম মারপিট করে গুরুত্বর জখম সহ তান্ডব চালায়। তার আর্ত্বচিৎকারে বাজারের অন্যন্যে ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে তাকে উদ্বার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। খবর পেয়ে ফাড়ী পুলিশের দারোগা মেহেদী সংগীয় ফোর্স নিয়ে এসে ঘটনাস্থল থেকে কাইউম শেখ ও এমদাদুল কাজীকে গ্রেফতার করে। এসময় একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক এমদাদুল কাজীকে পুলিশের কাছ থেকে জোর পুর্বক ছিনিয়ে নেয়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার বলেন, কে বা কাহারা বাজারের ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছিলো।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, কামরুল মেম্বরসহ কয়েকজন সুযোগ সন্ধানী ক্যাডার দলের কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় থেকে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মিসহ সাধারন মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তিনি পাচগাও ব্যবসায়ীদের উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পুর্বক দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।

এ ব্যপারে মোড়েলগজ্ঞ থানার অফিসার ইনচার্জ কে. এম. আজিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কয়েকজন ব্যবসায়ীর মৌখিক অভিযোগের পর অফিসার পাঠিয়ে সকালে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা খুলে দিয়েছি। পরে শাহ আলমের দোকানে ঢুকে মারপিটের পর দুজনকে আটকের পর ধস্তা ধস্তির এক পর্যায়ে এমদাদ নামে একজন পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে ওসি তদন্তসহ অফিসাররা থানায় ফিরে আসার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial