স্বরূপকাঠীতে মাহেন্দ্র-পিকআপ সংঘর্ষ ॥ আহত ৭
স্বরূপকাঠী উপজেলার অলংকারকাঠি এলাকায় মাহেন্দ্র ও পিকআপের সংঘর্ষে মাহেন্দ্রর ড্রাইভার ও যাত্রীসহ ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর নাজমুল, মিজান, হাফিজুর রহমান নামে তিন জনকে বরিশাল শেবাচিমে পাঠানো হয়েছে। ওই তিনজনের মধ্যে মাহেন্দ্র ড্রাইভার মিজান ও যাত্রী হাফিজুর রহমানের অবস্থা আশংকাজনক রয়েছে। বুধবার দুপুরে অলংকারকাঠি সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার খবর পেয়ে স্বরূপকাঠী থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘনায় ধুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া মাহেন্দ্র আটক করে থানায় নিয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পিকআপটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সেটি আটক করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জান গেছে, ঘটনার দিন সকালে পাশ্ববর্তী ঝালকাঠি জেলা থেকে পিকআপ গাড়ী করে অলংকারকাঠিতে ফুল চারা কিনতে আসছিল এক সরকারি কর্মকর্তার ড্রাইভার। গাড়ীর ড্রাইভার অলংকারকাঠিতে অবস্থিত বিভিন্ন নার্সারী ঘুরে ঘুরে ফুল চারা কিনে গাড়ীতে তোলার জন্য দুপুরের দিকে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় বরিশাল মেট্রো (থ-১১-০৪১৬) নামে একটি মাহেন্দ্র অনেকটা দ্রুতবেগে বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে স্বরূপকাঠির দিকে আসছিল। মাহেন্দ্রটি মহাসড়কের অলংকারকাঠির কোহিনুর নার্সারির কাছাকাছি আসলে পিকআপ ড্রাইভার কোন সংকেত না দিয়ে নিজ গাড়ী ঘুরচ্ছিলেন। তখন দ্রুতবেগে ছুটে আসা মাহেন্দ্র ড্রাইভার মিজান মাহেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে পিকআপের পাশে মেরে দেন। এতে মাহেন্দ্রটি ধুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ড্রাইভারসহ ভিতরে থাকা ৬ যাত্রী ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন। সাথে সাথে স্থানীয়রা ছুটে এসে ড্রাইভারসহ আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্বরূপকাঠী হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার এদের মধ্যে তিনজনে অবস্থা খুবই গুরুতর বুঝে বরিশাল শেবাচিমে পাঠান। আহত বাকি চারজনকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি নেন।
স্বরূপকাঠী থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আহতের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
