সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৬তম জন্মজয়ন্তি উদযাপিত
পাইকগাছায় প্রতিকৃতিত্বে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা সভা, সম্মাননা, পুরস্কার ও বই বিতরণের মধ্য দিয়ে সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৬তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে।
কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না এর সভাপতিত্বে জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট স. ম. বাবর আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানারা খাতুন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোহাম্মদ ইব্রাহীম, পাইকগাছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মিহির বরণ মন্ডল, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম সিদ্দিকী ফিরোজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার রায়, পাইকগাছা থানার এসআই নাজমুল হোসেন, কাজী পরিবারের সদস্য কাজী জামানউল্লাহ, গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন লিটন, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি নলিনী কান্ত সানা, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ দাশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের সভপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপকূল সাহিত্য পরিষদের আহবায়ক সরদার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, ব্রততী রায় প্রতিবন্ধি ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রজিৎ কুমার রায়, লেখক ও কবি তৃপ্তি মোহন মল্লিক, সুদয় কুমার মন্ডল, হিরন্ময় রায়, পঞ্চানন সরকার, সাংবাদিক গাজী আব্দুল আলীম, রিপন হোসেন, অসীম রায়, আরজু সুলতানা। অনুষ্ঠানে সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় গাজী শাহজাহান সিরাজ ও কবি বিমল কৃষ্ণ রায়কে গাজী ইমদাদুল হক সাহিত্য সম্মাননা, উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় জিএম মিজানুর রহমান ও শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানাকে কাজী ইমদাদুল হক সাহিত্য সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে কাজী ইমদাদুল হকের জীবনী রচনা প্রতিযোগিতায় ৩ জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, শহীদ জিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারিয়া সুলতানা, মোহনী আক্তার মায়া ও ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লামিয়া সুলতানা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃতি ব্যক্তি ও সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের জন্মজয়ন্তি জাতীয়ভাবে পালন এবং পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনী এবং “আব্দুল্লাহ” উপন্যাস পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানান।
