ইন্দুরকানী থানার এ.এস.আই’র হাতে ছাত্রলীগ নেতা আহত
ইন্দুরকানীতে এক ছাত্রলীগ নেতাকে হ্যান্ডকাপ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে থানার এএসআই। আহত ছাত্রলীগ নেতাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে ইন্দুরকানী এম. ইউ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জে.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইন্দুরকানী এম. ইউ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জে.এস.সি পরিক্ষা কেন্দ্রের বাহিরে কয়েকজন বন্ধু নিয়ে ইন্দুরকানী এম.ইউ. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র সানজিদুর রহমান রনি (১৫) দাড়িয়ে ছিলেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে ইন্দুরকানী থানার কর্তব্যরত এএসআই মোঃ কামাল হোসেন ছাত্রলীগ নেতা সানজিদসহ অন্যদেরকে শিক্ষার্থীদের চলার পথ থেকে সরে যেতে বলেন। সে যেতে দেরি করলে এএসআই কামাল প্রথমে ছাত্রলীগ নেতাকে চড় থাপ্পর দেয়। পরে তার পিতার নাম বললে তার হাতে থাকা হ্যান্ড কাপ দিয়ে পিটিয়ে কপাল ফাটিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ছাত্রলীগ নেতার মা ও স্বজনেরা তাকে উদ্বার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীসহ ছাত্রদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত এএসআই কামাল হোসেন ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তিনি ছাত্রলীগ নেতার পিতার কাছে মোবাইল ফোনে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানান।
ইন্দুরকানী থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুস সালাম জানান, ভুল বোঝাবুঝির কারণে যে ঘটনা ঘটেছে, তা সবাইকে নিয়ে বসে একটা সমাধান করার চেষ্টা করছি।
আহত ছাত্রলীগ নেতা সানজিদুর রহমান রনি জানান, আমি পরীক্ষার শেষে ছাত্রদের সাথে দেখা করার জন্য কেন্দ্রের সীমানার বাহিরে দাড়িয়ে ছিলাম। কোন কারন ছাড়াই এএসআই কামাল হোসেন আমাকে চড় থাপ্পর দেয় এবং হাতে থাকা হ্যান্ড কাপ দিয়ে পিটিয়ে কপাল ফাটিয়ে দেয়।
