প্রধান সূচি

রিমিকে আবারো অপহরণ করলো অপহরন মামলার আসামীরা

ভাণ্ডারিয়ার ইকড়িতে রিমির অপহরন মামলার আসামীরা রিমির বাড়ীতে ডাকাতি সংঘঠিত করে আবারো তাকে অপহরণ করেছে। গত শনিবার গভীর  রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ মিরাজ সাইবের স্ত্রী রুবি বেগম পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে আবেদন জানালে আদালত ভাণ্ডারিয়া থানার ওসিকে নিয়মিত মামলা রুজু করে জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্ত এবং আদেশ প্রাপ্তির ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিমকে উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরনে জানাযায়, ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি বাসিন্দা বিদেশ ফেরৎ মিরাজ সাইব ঢাকায় একটি কোম্পানীতে চাকরী করেন। ঘটনার দিনগত রাতে সাইবের স্ত্রী রুরী বেগম গ্রামের বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া শেষে দুই মেয়ে রিমি ও তমা এবং শিশু পুত্রকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১ টার দিকে রিমি আক্তারকে অপহরণ মামলার আসামীরা পাশ্ববর্তী মঠবাড়িয়ার বাশবুনিয়া গ্রামের মৃত নেছার মাতুব্বরের পুত্র হেলাল, বেল্লাল, জাকারিয়া, রফিকুল এবং তাদের সহযোগী মোস্তফা, জসিম এবং ছায়েদ হাওলাদার ঐ বসত ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে।

একই এলাকার মহিলা ইউপি সদস্য খাদিজা বেগম জানান, শনিবার রাতে বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে আসামীরা ঘরে প্রবেশ করে রুবী বেগমের মুুখে কসটেপ মেরে অস্ত্রের মূখে ঘুমন্তদের জিম্মি করে ডাকাতি সংঘঠিত করে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার এবং জোর পূর্বক রিমি আক্তার (১৭) কে ফের অপহরন করে নিয়ে যায়। এসময় আসামীরা একটি মোবাইল ফোন ফেলে রেখে যায় বলেও জানান তিনি। রিমির  ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা সজাগ হলে ডাকাতরা সটকে পড়ে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট হাকিম হাওলাদার জানান, গত মঙ্গলবার পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে আবেদন জানালে আদালত ভাণ্ডারিয়া থানার ওসিকে নিয়মিত মামলা রুজু করে জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্ত এবং আদেশ প্রাপ্তির ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিমকে উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার এজাহারে বাদী উল্ল্যেখ করেন ৩৫ হাজার নগদ টাকা এবং ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় এবং এ মামলায় ৭জনকে আসামী করা হয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial