প্রধান সূচি

ইন্দুরকানীতে এক মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

ইন্দুরকানীতে এক মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ভূয়া এনজিওকর্মীর মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের সরকারের গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা অনিল চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে একই গ্রামের সুভাষ চন্দ্র সুতারের স্ত্রী শেফালী সমদ্দার পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে গত ০৭ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত ইন্দুরকানী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। মুক্তিযোদ্ধা অনিল চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় শুক্রবার তিনি ইন্দুরকানী প্রেস ক্লাবে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে তিনি বলেন, শেফালী সমদ্দার নামে বেনামে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ দেয়ার কথা বলে গ্রামের সহজ-সরল নারী-পুরুষদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা তুলে আত্মসাৎ করে। এমনকি তাদের স্বর্ণালংকার জমা রেখেও টাকা দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু কাউকেই টাকা না দিয়ে সবকিছুই আত্মসাৎ করেছে। এমনকি বেশি লাভ পাইয়ে দেয়ার কথা কলে বিভিন্ন ইন্স্যুরেন্সের নামে টাকা আদায় করে আত্মসাৎ করেছে। আমার মেয়ে শীলা রানীর কাছ টাকা নিলে সেই টাকা ফেরৎ চাইলে তার সাথে খারাপ আচরণ করে এবং তাকে মারধর করে। আমি প্রতিবাদ করলে সে আমার বিরুদ্ধে পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। সে ঋণ দেয়ার কথা বলে ইন্দুরকানী গ্রামের শাহানাজের কাছ থেকে ১৬ হাজার টাকা, দুলালীর কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা, আরতির কাছ থেকে স্বর্ণের চেইন, রিজিয়ার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকাও দিচ্ছে না গচ্ছিত মালও ফেরত দিচ্ছে না।

ইন্দুরকানী গ্রামের শিলা রানী জানান, শেফালী সমদ্দার বীমা করার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু আমাকে টাকা জমার কোন রশিদও দেয়নি টাকাও ফেরত দেয়নি। টাকা চাইলে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে এবং আমাকে মারধর করে।
অভিযুক্ত শেফালী সমদ্দারের বাসায় গেলে বাসাটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial