মঠবাড়িয়ায় আলোচিত জমি দখল ও লুটপাটের মামলায় শহিদ আকনসহ তিনজন জেল হাজতে
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি :
মঠবাড়িয়ায় পৌর শহরের বহেরাতলা বাস স্টান্ড সংলগ্ন এক অসহায় বিধবা কহিনুর ও তার পুত্র সবুরকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠিয়ে জমি জবর দখল ও বসত ঘরের স্বর্ণ, টাকা ও মালামাল লুটের মামলায় তিনজনকে জেলে পাঠিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার সকালে মামলার প্রধান আসামী শহিদুল ইসলাম আকন, বড় ভাই কবির আকন, সহযোগী ফয়সাল, (শহিদুলের) শ্বশুর মানিক হাওলাদার, চাচা শ্বশুর বাদশা হাওলাদার মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিজ্ঞ বিচারক মানিক ও বাদশা হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করলেও শহিদ, কবির ও ফয়সালের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য, পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র বহেরাতলা বাসষ্টান্ড সংলগ্ন সবুরের পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া মঠবাড়িয়া মৌজার জেএল নং ২১, খতিয়ান নং ৩৬০, দাগ নং ১১৪৪/১১৪৯) এর ৭৫ শতাংশ জমি প্রতিপক্ষ শহিদুল ও তার ভাই কবির দীর্ঘদিন ধরে জোর পূর্বক দখলের পায়তারাসহ হুমকি দিয়ে আসছিল। এক পর্যায় প্রতিপক্ষ শহিদুল মামলার বাদী সবুরসহ বিধবা মা কহিনুর বেগম, বোন কামরুন্নাহার, মামা মুক্তিযোদ্ধা সুলতান আহমেদসহ ৬জনের নামে আদালতে মিথ্যা গাছ কাঁটা মামলা দিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মা ও সবুরকে গ্রেফতার করায়। এই সুযোগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিপক্ষ শহিদুল ও তার দলবল ওই তফসিলবর্ণিত কোটি টাকার সম্পত্তির ক্রয়সূত্রে মালিকানা দাবী করে টিন ও তারকাঁটা বেড়া দিয়ে সাইনবোর্ড সাটিয়ে তিনটি ছাপড়া ঘর তৈরি করে। এসময় প্রতিপক্ষরা পার্শবর্তী বসত ঘরের গ্রিল ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণ, নগদ অর্থ, জমির কাগজপত্রসহ প্রায় চার লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বিধবার পুত্র সবুর গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে শহিদ আকন সহ এজাহার নামীয় ৭জন ও অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
