স্বরূপকাঠি বিএনপির বৃহৎ অংশের নেতাদের বাইরে রেখে সদস্য সংগ্রহ শুরু
মোঃ হাবিবুল্লাহ, স্বরূপকাঠি :
সারাদেশে বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযানের অংশ হিসাবে স্বরূপকাঠি উপজেলা বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান ও নবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মিয়ারহাটস্থ দলীয় কার্যালয়ে সভাপতি ফকরুল আলম অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শুরু করেন।
উপজেলার বিএনপির একংশের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আকরামুল ইসলাম বাবুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক কাজী কামাল, স্বরূপকাঠি পৌর ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ আবদুল্লাহ আল জোবায়েরসহ বৃহৎ অংশ ওই সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবগত নন বলে জানা গেছে। এমনকি উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ জাহিদ উদ্দিন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল লতিফকে নবায়ন কর্মসুচীর বিষয় জানানো হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উপজেলা বিএনপির মাঠ কাপানো অধিকাংশ নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিএনপির একাংশের সভাপতি মোঃ ফকরুল আলম ও তার অনুসারী নেতাকর্মীদের নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাদপড়া ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা। উপজেলা নেতা-কর্মীদের এ অংশকে বাইরে রেখে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান ও নবায়ন কার্যক্রম ফকরুল আলমের একরোখা ও একতরফা চরিত্রের বহিপ্রকাশ প্রকাশ বলে তৃণমুল নেতা-কর্মীরা ফুঁসে উঠছে।
সভাপতি ফকরুল বলয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন তালুকদার বলেন, আমি আমন্ত্রণ পাইনি, আমি কিভাবে অন্যদের জানাবো? সাংগঠনিক নিয়ম হলো সভাপতি, সাধারন সম্পাদক মিটিং ডাকবে আলোচনা করবে তারপর সম্মিলিতভাবে কর্মসুচী বাস্তবায়ন করবে। সভাপতির কার্যক্রমে মনে হচ্ছে তিনি একাই দলের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, সাংগঠনিক, প্রচার সম্পাদকসহ সব পদের অধিপতি।
এসব অভিযোগের বিষয় ফকরুল আলম বলেন, আমি সবাইকে দাওয়াত দিয়েছি। তারা না আসলে আমার কি করার আছে। যারা আসেনাই, তারা কেবল ঘরে বসেই সমালোচনা করে। উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বেশিরভাগ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল। সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যের বিষয় জানতে চাইলে, ফকরুল আলম আরো বলেন, আমাদের উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে ৯০টি ওয়ার্ড। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে বই যাবে। প্রতিটি বইয়ে ১০০টি ফর্ম রয়েছে। মাসব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে বলে তিনি জানান।
