ইন্দুরকানীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
ইন্দুরকানী প্রতিনিধি :
ইন্দুরকানীতে এক প্রধান শিক্ষক বিধি বহির্ভূতভাবে বেতন স্কেল পরিবর্তন করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয় ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সহকারি কমান্ডার (তথ্য ও গবেষণা) কে এম ফরিদুল ইসলাম।
অভিযোগে জানা যায়, ইন্দুরকানী উপজেলার ইন্দুরকানী এস আদর্শ নি¤œ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসিম কুমার মজুমদার (ইনডেক্স নম্বর-বি-২১৬৯৮৮) অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ২০১২ সালে ৮নং বেতন কোড ১২ হাজার টাকার স্কেল পরিবর্তন করে ৭নং বেতন কোড ১৫ হাজার টাকার স্কেল করেছে। একইভাবে ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেলে ৮নং বেতন কোডের স্কেল ২৩ হাজার টাকার স্থলে তিনি ৭নং বেতন কোডের স্কেল ২৯ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। যা সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত।
জানা যায়, নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বেতন কোড ৮নং বেতন স্কেল ২৩ হাজার টাকা। কিন্তু তিনি তথ্য গোপন করে কৌশলে নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে মাধ্যমিক বিদ্যালয় দেখিয়ে বেতন কোড ৮নং পরিবর্তন করে ৭নং কোডে ২৯ হাজার টাকা স্কেলে বেতন ভাতা এমপিওতে অর্ন্তভুক্ত করেন। আর এ বেতন তিনি নিয়মিতভাবে সভাপতির স্বাক্ষরে উত্তোলন করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার মজুমদার জানান, আমার ভুলক্রমে ৮নং কোডের পরিবর্তে ৭নং কোডে এমপিওতে বেতন ২৯ হাজার টাকা করে আসায় আমি অতিরিক্ত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছি। প্রকৃতপক্ষে আমার বেতন স্কেল ৮নং কোডে ২৩ হাজার টাকা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর একেএম আবুল খায়ের জানান, নিয়ম বহির্ভূত কোড পরিবর্তন করে অতিরিক্ত বেতন-ভাতা উত্তোলন করলে তা অবশ্যই ফেরত দিতে হবে।
