প্রধান সূচি

মহা ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার শারদ উৎসব শুরু

স্টাফ রিপোর্টার :

বহু যুগ ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বী দের বিশ্বাস অনুযায়ী যখন সর্গলোকে অসুররা রাজত্বে দেবতাদের অস্তিত্ত মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল তখন ব্রক্ষ্ম, বিষ্ণু, শীব এ ত্রী শক্তির বলে মৃন্ময়ী রূপী মা চিন্ময়ী রূপে দশ ভূজা দেবী দূর্গা মর্তে আগমন ঘটে বিশ্ব শান্তির দূৎ হিসেবে। কথিত আছে রাজা রাম চন্দ্রের অকাল বোধন পূজার মধ্য দিয়ে ই ধরনীতে দুর্গা পূজার রেওয়াজ চালু হয়। সে থেকে আজ পর্যন্ত হিন্দুধর্মাবলম্বীরা বছরের সর্ববৃহত ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আর এই উৎসবকে ঘিরে বছরের শুরু থেকেই একটি প্রস্তুতি থাকে প্রতি ঘরে ঘরে। তারই ধারাবাহিকতায় এবছরও শরতের এই শেষ লগ্নে শিশির ভেজা মর্তের মাটিতে বিশ্ব শান্তির দুৎ হয়ে মৃন্ময়ী রূপী মা চিন্ময়ী রূপে দেবী দূর্গা নৌকায় ধরনীতে আসছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৮মিনিট ২১সেকেন্ড প্রতি পূজা মন্ডব্যে যা দেবী সর্বভূতেষূ মাতৃরূপেন সংস্থিতা, নমত্তস্যৈ নমোস্তস্যৈ নমো নম: বামুন ঠাকুরের মন্ত্র পাঠে মহা ষষ্ঠী বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৫দিন ব্যপি শারদীয় উৎসব দূর্গা পূজা।

সমগ্র বিশ্বে আজ হিংসা, বিদ্বেষ ও নৈরাজ্যে, সংঘাত, কুসংস্কার ও অপসংস্থতি সমাজকে করেছে করূষিত। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের নিষ্পেষণে মানুষ আজ জর্জরিত। আর সব গ্লানি মুছে দিয়ে দেবী দূর্গা ধরনীতে এক অনাবিল শান্তি প্রতিষ্ঠা করে যাবে এমন বিশ্বাসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিটি পরিবাবের মানুষ সাধ আর সাধ্যের মধ্যে উপভোগ করবে এ অনুষ্ঠান। সকল আতœীয়স্বজনদের মধ্যে এক মেল বন্ধনের সৃষ্টি হবে। বাহারী সাজে তরুন-তরুনী, যুবক-যুবতীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ নতুন পোষাক পরিধান করে মায়ের পাঁয়ে অঞ্জলী  প্রদানের পর শুরু হবে এ মন্দির থেকে ও মন্দিরে দেবী দর্শণে ব্যস্ত সময় পার করবে তারা। এই ব্যস্ততা চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তার পরেও থাকবে নানা অনুষ্ঠান মালা।

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিমল কৃষœ হালদার জানান, জেলার ৭টি উপজেলা ও ৪টি পৌর সভায় গত বছরের চেয়ে এ বছর ১৪টি পূজা বেশি হবে। এবছর জেলায় মোট ৪৮৮টি মন্দির, মন্ডবের মধ্যে জেলা সদর ছাড়াও উপজেলা গুলোর মধ্যে ভাণ্ডারিয়া কেন্দ্রীয় মন্দির, ভিটাবাড়িয়া মৃধা বাড়ি, মঠবাড়িয়া কেন্দ্রীয়, নাজিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, স্বরুপকাঠী কেন্দ্রীয় মন্দির কাউখালী কেন্দ্রীয় মন্দির ছাড়াও গ্রামাঞ্চলেও খুব ঝাকঝমকপূর্ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোঃ ওয়ালিদ হোসেন জানান, আমরা অতিগুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারন এ তিন ক্যাটাগড়িতে মুলত ভাগ করে থাকি। তিনি আরো জানান, হিন্দুধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্ভিঘেœ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা দিতে পারে সে জন্য প্রতি মন্ডবে আনছার, পুলিশ, মোবাইল টিম ছাড়াও প্রতি উপজলার অতিগুরুত্বপূর্ণ মন্দিরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা সংস্থাপন করা হয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial