প্রধান সূচি

স্বরূপকাঠীতে বয়োবৃদ্ধ পরিবারের চলাচলের রাস্তায় বেড়া দিয়ে ও খাল কেটে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার কুনিয়ারি গ্রামে মোকলেসুর রহমান (৮০) নামে এক বয়োবৃদ্ধের বাড়ীর রাস্তা কেটে চলার পথে বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষ মো. সিদ্দিক হাওলাদারসহ তার ছেলেদের বিরুদ্ধে। এমনকি প্রতিপক্ষরা বৃদ্ধ মোকলেছ মিয়ার চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি চিরতরে বন্ধ করার জন্য রাস্তা কেটে খাল বানিয়েছেন। এতে ওই বৃদ্ধের পরিবারসহ তার বাড়ীর পিছনের আরো ৬টি পরিবার পড়েছেন মহাবিপাকে। তারা নিরুপায় হয়ে বিকল্প রাস্তা হিসেবে বাড়ীর পাশের অন্য একটি খাল ডিঙিয়ে বাজার ঘাটে যাচ্ছেন। তবে তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ হওয়ায় একপ্রকার গৃহবন্দি আছে ওই পরিবারের ছোট ছোট শিশুরা। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিস বৈঠক হলেও কোন কিছুই মানছেনা প্রতিপক্ষ গ্রæপ।
ভুক্তভোগী মোকলেসুর রহমানের মেয়ে আসমা আক্তার অভিযোগ করেন, রাস্তাটি দিয়ে তাদের পরিবার ৩০ বছর ধরে হাটাচলা করছে। বাড়ী থেকে বাজারঘাটে বের হতে সহজ ও নিরাপদ রাস্তা। হঠাৎ করে সরকার পতনের পর আমাদের এই রাস্তা দিয়ে হাটতে দিচ্ছেনা প্রতিপক্ষ ছিদ্দিক হাওলাদার ও তার ছেলেরা। কয়েকদিন পূর্বে ছিদ্দিক মিয়া ও তার ছেলে আসলাম আমাদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। তারা রাস্তার মাঝপথে বেড়া দিয়ে সেখানে গাছ রোপন করে দিয়েছে। এমনকি রাস্তার সামনে কেটে খাল তৈরি করে দিয়েছেন।
বৃদ্ধ মোকলেসুর রহমান বলেন, এলাকার চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য লোকজন মিলে এই রাস্তা দিয়ে আমাদের হাটতে দিয়েছে। ৪০ দিনের কর্মসূচি থেকে রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। এখন সরকার পতনের পর হঠাৎ করে আমাদের চলাচলের এই রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। আমরা ওই রাস্তা দিয়ে বাজারঘাটে বের হই। বাড়ী থেকে বের হতে বিকল্প কোন রাস্তা নেই। চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ থাকায় বাড়ীর পাশের একটি খাল পার হয়ে বাজারঘাটে বের হতে হচ্ছে। তাদের হাতে পায়ে ধরার পরেও তারা রাস্তাটি বন্ধ করে দিল।


এ বিষয়ে আসলাম হোসেনের পিতা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ক্রয় সূত্রে ওই জায়গার মালিক আমি। এখন আর ওই জায়গা দিয়ে কাউকে হাটতে দিবনা। তারা যেভাবে পারবে সেভাবে বের হোক।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাজেদ মিয়া বলেন, রাস্তার ওই জায়গাটি ছিদ্দিক মিয়ার। তারপরও ওই রাস্তা দিয়ে মোকলেস মিয়া ৩০/৩৫ বছর ধরে চলাচল করে আসছে। আমি উভয়কে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলাম। এখন সিদ্দিক মিয়ার ছেলে আসলাম তাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা অন্যদের চলাচলের জন্য রাস্তা দিবে না।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial