খাজনার টাকা পরিশোধ করেছেন এমপি মহারাজ
স্বরূপকাঠিতে জমে উঠেছে খাজনামুক্ত কুরবানীর গরু-ছাগলের হাট
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে জমে উঠেছে খাজনামুক্ত কুরবানীর গরু-ছাগলের হাট। ঈদুল আযহা উপলক্ষে উপজেলার ৬টি স্থানে প্রতিবছরের ন্যায় হাট বসেছে।
এবছর পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. মহিউদ্দিন মহারাজ তার নির্বাচনী এলাকার স্বরূপকাঠি (নেছারবাদ), ভান্ডারিয়া ও কাউখালী উপজেলার সব হাটবাজারের খাজনা মওকুফ করে দিয়েছেন।
উপজেলার সবগুলো হাট-বাজারের সরকারী ডাকের টাকা তিনি পরিশোধ করে দিয়েছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারী ও বেপারীরা গরু ছাগল নিয়ে ওইসব হাটে পসরা সাঁজিয়েছেন। ক্রেতার আনাগোনা বাড়লেও এখন পর্যন্ত কেনা বেঁচা তেমন শুরু হয়নি। বেপারীরা বলেছেন স্বরূপকাঠিতে খাজনা নেই তাই ক্রেতা বেশি হবে ধারনা করে আমরা এখানে বেশি সংখ্যক গরু নিয়ে এসেছি।
শুক্রবার দুপুরে সরকারী স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের পশুরহাটে গিয়ে দেখা যায় বেশ জমজমাট হয়ে ওঠেছে হাট। প্রতিমুহুর্তে বেপারী ও খামারীরা গরু নিয়ে আসছে হাটে। কেনা বেচা তেমন শুরু হয়নি।
হাট প্রস্তুত করা, সামিয়ানা টানানো, নিরাপত্তার জন্য স্বরূপকাঠি পৌরসভার পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। পৌরসভার কাউন্সিলরদের কেউ কেউ দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন।
পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী ওয়াহিদুজ্জামানকে দেখা গেল পাশেই টেবিল চেয়ার পেতে অন্যান্য কর্মীদের নিয়ে বসে আছেন। তিনি বলেন, পিরোজপুর-২ আসনের এমপি মহিউদ্দিন মহারাজ সাহেব খাজনা মওকুফ করে দেওয়ায় এ বছর হাটে বেশি গরু আসতেছে। এ যাবৎ যে ক’টি গরু বিক্রি হয়েছে তার মূল্য গতবছরের তুলনায় কম। কামারকাঠির লাল মিয়া বলেন, সকলের ধারণা দাম কম হবে তাই ক্রেতারা দরদামই করছেন কিনতে শুরু করেন নি।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির বলেন, হাট ব্যবস্থাপনার কাজ পৌরসভার পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা, তাবু দেওয়া, সারি তৈরি করে দেওয়া এবং কোরবানির শেষ বর্জ পরিস্কারের জন্য কিছু কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর খরচ মেটানোর জন্য প্রতিটি গরু জন্য ক্রেতার কাছ থেকে ৫০০/- টাকা এবং ছাগল প্রতি ১০০/- টাকা করে রাখা হচ্ছে। এজন্য আমরা সাইনবোর্ড ব্যানার দিয়েছি। সার্বক্ষনিক মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া উপজেলা সুটিয়াকাঠি হাইস্কুল মাঠ, চান মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এনডবিøউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চাঁদকাঠি হাট, সাগরকান্দা বাজারে বসেছে বড়বড় কোরবানীর হাট।
