মঠবাড়িয়ায় বিধবা নারী ও মেয়েকে তাড়িয়ে বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ
সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় প্রবাসি দুলাল মিয়ার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর তার বিধবা স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বসতবাড়ি দখল করে নিয়েছে ওই প্রবাসির ভাই ও বোন। মঙ্গলবার দুপুরে মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন মৃত. প্রবাসি দুলাল মিয়ার মেয়ে লিমা আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার পিতা দুলাল মিয়া সৌদি আরবের কর্মরত থাকাকালীন ২০১৭ সালের ৩ জুন মারা যান। এরপর তার ছোট চাচা নজরুল ইসলাম ও ফুপু শিউলী আক্তার সকল জমি ও বাড়িঘর আত্মসাৎ করার জন্যে পায়তারা শুরু করে। একপর্যায় আমার মা রীমা বেগমের নামে ভূয়া তালাকনামা তৈরী করে ও আমাদের ওপর নির্যাতন চালায়। ২০১৭ সালের ৪ নভেম্বর আমার পিতার জে.এল নং-৩১ গিলাবাদ মৌজার এস.এ ১৮২৯ নম্বর দাগে নির্মিত পাকা বসতবাড়ি থেকে মা ও আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।
অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পৈত্রিক জমিজমার বিষয়ে আমি আদালতে একটি বন্টন মামলা করেছি। ওই মামলায় মা ও মেয়ে হাজিরা না দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
স্থানীয় দাউদখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক রাহাত বসতবাড়ি দখলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মা-মেয়েকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়েও হয়রানী করে আসছে নজরুল ইসলাম।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, অভিযোগ পেয়ে মা ও মেয়েকে তাদের বসতঘরে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পরে তাদের উচ্ছেদ ও হয়রানীর বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
