শরণখোলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ॥ বাড়িঘরে হামলা, আহত ৪০
বাগেরহাটের শরণখোলায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বসতবাড়ীতে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
সোমবার শরণখোলা উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ১টিতে চেয়ারম্যান পদে ও ৩৫টি ওয়ার্ডে সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট গ্রহণ শেষে সোমবার রাতে উত্তর সাউথখালীর ৫নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত মেম্বর মো. আল আমিনের নেতৃত্বে ইউসুফ মোল্লা, হাফেজ মীর, সিদাম গাজী, আউয়াল হাওলাদার, নুরজাহান বেগম, জাকির পহলান, জলিল খা, ছগির শাহ, খলিল পহলান, মালেক হাওলাদার ও প্রতিদ্বিন্দ্বি প্রার্থী আ. হালিম খানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ১০/১২ বাড়ীতে হামলা করা হয়। এ হামলায় এলাকায় চরম আতংক বিরাজ করছে।
সাবেক ইউপি সদস্য মো. আ. হালিম জানান, আমার কর্মীদের বাড়ীঘর ভাংচুর ও প্রত্যেকের ঘরের মালামাল লুট করে নিয়ে যায় সদ্য নির্বাচিত প্রার্থী মো. আল আমিন ও তার সমর্থকরা। আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি। তবে নির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. আল আমিন খান তার এলাকায় হামলা ও ভাংচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে, একই রাতে উপজেলার জিলবুনিয়া, চালিতাবুনিয়া, বগী, শরণখোলা ও তাফালবাড়ীতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নারী পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন গুরুতর আহত হয়ে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাউথখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যন ইসমাইল হোসেন খলিফার ছেলে যুবলীগ নেতা রুবেল খলিফাসহ ৭ জনের অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে কিছু অপ্রতিকর ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
