ইন্দুরকানীতে খাস জমি দখল করে বসতঘর ও দোকান নির্মাণ
পিরোজপুরে ইন্দুরকানী উপজেলায় বালিপাড়া বাজারে খাস জমি দখল করে বসতঘর ও দোকান নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মো. কামরুল ইসলাম সরকারী খাস সম্পত্তি দখল করে গত বৃহস্পতিবার রাতের আঁধারে দোকান নির্মাণ করে ভাড়ায় দিয়েছেন। বালিপাড়া বাজারের প্রবেশ পথে রাস্তার পাশের সরকারী খাস জমিতে টিনশেড ঘর নির্মাণ করেছেন মো. কামরুল ইসলাম।
এলাকাবাসী জানায়, এই জমিটি সরকারী খাস জমি। এখানে খোলা জায়গা থাকায় ফুটপাতে বিভিন্ন দোকান বসিয়ে ক্ষুদ্র মাছের ব্যবসায়ীরা অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করতো। তাদের সরিয়ে দিয়ে মো. কামরুল ইসলাম দলীয় প্রভাব খাটিয়ে রাতের আঁধারে ঘর নির্মান করে ভাড়া দিয়েছেন।
এছাড়া বালিপাড়া বাজারের অস্থায়ী ইউপি কার্যালয়ের সামনে কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার ২ শতক জমি এ বছরের ডিসিআর (লিজ) নিয়ে প্রায় ৪ শতক জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের কার্যক্রম চালাচ্ছে। আবার জমি সংলগ্ন খাল দখল করে খালের মধ্যে শৌচাগারের ট্যাংকি তৈরী করেছেন। যার কারণে খালের পানি দুষিত হচ্ছে এবং খালে চলাচলকারী জেলেদের ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযান চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে।
অন্যদিকে, একই বাজারের আ. রহিম খান, আ. জব্বার খান সরকারী খাস জমি দখল করে দোকান ও বাসা বাড়ী তৈরী করে বসবাস করছেন। এছাড়া বালিপাড়া বাজারে সরকারী জমিতে অনুমতি ছাড়া ছাদ দিয়ে ভবন নির্মাণ করছে ৪ প্রভাবশালী ব্যক্তি।
এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কামরুল ইসলাম বলেন, এটি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। আমি কোন সরকারী জমি দখল করি নি।
এ ব্যপারে বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন বয়াতী জানান, বাজারে খাস সম্পত্তি দখল করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নিবে।
ইন্দরকানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা লুৎফুন্নেছা খানম জানান, বালিপাড়া বাজারের কামরুল ইসলামের দোকানঘরসহ অবৈধ সকল স্থাপনা সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থাপনা না সরালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
