প্রধান সূচি

স্বরূপকাঠিতে রাস্তা নির্মানে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী পৌরসভার উন্নয়ন কাজের দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মামা-ভাগিনার মোড় থেকে শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ হয়ে রুস্তুম মুন্সির মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি পুন:র্নিমান কাজে নিম্ন মানের খোয়া, মানহীন বিটুমিন ব্যবহারসহ যথাযথ ম্যাকাডম (রাস্তার পুরুত্ব) না দিয়ে রাস্তাটি নির্মান করা হচ্ছে।
পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মামুন খান এর সাথে যোগসাজসে রাস্তাটি নির্মানে এ অনিয়ম করছেন ঠিকাদার। তবে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। রাস্তার নিম্নমানের মালামাল অপসারণ করে সঠিক উপকরণ ব্যবহার করে রাস্তা পুন:নির্মানের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাস্তায় মানহীন খোয়া বিছিয়ে সঠিকভাবে রোলার না দেয়া, নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করে ঠিকাদার তার ইচ্ছানুযায়ী ভাবে কাজ করছেন। পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের লোকজন ছাড়াই বিকেল থেকে রাত অবধি চলে ওই কাজ। এসব বিষয়ে জানতে পেরে পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবিরকে বিষয়টি জানালে তিনি সহকারী প্রকৌশলী নুর আল আজাদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী (যিনি বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী) মামুন খানকে পাঠান। তারা কাজের সাইডে গিয়ে কাজের গুণগত মান যাচাই না করে ঠিকাদারকে ওই অবস্থায় কাজ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেন।
ঢালাইয়ের মালামালের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকৌশলী কোন কথা বলার আগেই উপ-সহকারি প্রকৌশলী মামুন খান বলেন, ‘সোজা সাপটা কথা নিয়মনুযায়ী রাস্তার কাজ করা হচ্ছে।’
ওই সড়কে চলাচলকারী একাধিক অটো ড্রাইভার জানান, রাস্তার কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। যাহা পা দিয়ে চাপ দিলেই ভেঙ্গে যায়। তারা আরও বলেন, আমাদের দুর্দশা দূর করতে রাস্তা তৈরি হচ্ছে। কিন্তু ঠিকাদারের চুরির কারণে আমরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবো। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নম্বরবিহীন ইটের খোয়া দিয়ে রাস্তার কাজ চলছে। পিচের পরিমাণও কম। এ রাস্তা বেশি দিন টিকবে কীভাবে।
পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির বলেন অভিযোগ সম্পূর্ন ভিত্তিহীন। সঠিক নিয়ম কানুন মেনে কাজ করা হচ্ছে। যে মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে তা সম্পূর্ন ল্যাবে পরীক্ষা করার পরে ব্যবহার করা হয়।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial