পাইকগাছা উপজেলা উপনির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে জল্পনা-কল্পনা
পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে ইচ্ছুক তারা গণসংযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ধরণের প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।
পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। কে হবেন উপজেলা নির্বাচনে নৌকার কান্ডারী। আর দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় অনেকে শুরু করেছেন গণসংযোগ। আবার কেউ কেউ মনোনয়ন পেতে চেয়ে আছে উপর মহলের সিদ্ধান্তের উপর। তবে নির্বাচনের দিন এখনও চুড়ান্ত হয়নি। নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে ইচ্ছুক সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছেন।
১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে পাইকগাছা উপজেলা গঠিত। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে গাজী মোহাম্মদ আলী আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন। এ নির্বাচনে একই দলের ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৭ জুলাই ২০২০ তারিখে উপজেলা চেয়ারম্যান করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেলে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়। আগামী উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের কে হবেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। এরপরই শুরু হয় সম্ভাব্য প্রার্থী ও উপনির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে জল্পনা-কল্পনা। ইতোমধ্যে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু। তার পৈত্রিক নিবাস কয়রা উপজেলায়, পাইকগাছাতে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি পাইকগাছা বাঁশরী সিনেমা হল পরিচালনা করতেন। পাইকগাছায় একাদিক ব্যক্তির মন্টু নাম থাকায় তিনি ‘হল মন্টু’ নামে পরিচিত। আবার রাজনীতিতে তিনি পিতার পরিচয়ে পরিচিত। তার পিতা সাবেক এমএনএ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এম এ গফুর।
প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরণ সাধু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু। তিনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শেখ মহতাব হোসেনের (মনি মিঞা) ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করার পর থেকে দলের গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে ভুমিকা রেখে চলেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রশীদুজ্জামান মোড়ল, তিনি সিপিবি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। আওয়ামী লীগের জেলা সদস্য শেখ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এডভোকেট শেখ আবুল কালাম আজাদ ও শেখ ফরহাদ উজ্জামান তুষার।
বাম গণতান্ত্রীক জোটের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এডভোকেট প্রশান্ত কুমার মন্ডলের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি’র কোন প্রার্থীর নাম এখনো শোনা যায়নি।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই ইতোমধ্যে উপনির্বাচন নিয়ে শুরু করেছেন গণসংযোগ। কেউ কেউ বিভিন্ন স্থানে মতবিনিময় সভা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রার্থী হওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন।
