প্রধান সূচি

পিরোজপুরে সামাজিক বনায়ন : প্রান্তিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে

পিরোজপুর বন বিভাগের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি জেলার দারিদ্র্য বিমোচনে এবং প্রান্তিক এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। প্রান্তিক এলাকায় হতদরিদ্র মানুষ সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে এখন অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি ও উন্নয়নের আশা দেখছে। বন বিভাগের উদ্যোগে পরিচালিত সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে উপকৃত হচ্ছে বনায়ন কর্মসূচির সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাও। বনায়নের কারণে স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

পিরোজপুর বন বিভাগ কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন সড়কের পাশেসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে সামাজিক বনায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ ১২ হাজার ৫৬০টি, নারিকেল গাছ ৮ হাজার, খেজুর গাছ ৪ হাজার, তাল গাছ ৪ হাজার ২০০টি, সুপারী গাছ ২ হাজার ২৪০টি গাছ লাগানো হয়েছে।

পিরোজপুরের সামাজিক বনায়নের বিষয়ে সার্বিক খোঁজ-খবর নিচ্ছেন বন রক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম, পিরোজপুর বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

সামাজিক বনায়নের সদস্য ইন্দুরকানী উপজেলার আসাদুল ইসলাম জানান, সরকারের সামাজিক বনায়নের কারণে স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠির লোক জন বিভিন্ন ভাবে উপকৃত হচ্ছে। প্রান্তিক এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে এই সামাজিক বনায়নের মাধ্যেমে।

পিরোজপুর এসএফএনটিসি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধনই হলো এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এটির মাধ্যমে হতদরিদ্ররা যেমন উপকৃত হচ্ছেন তেমনি প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রতিবেশ স্বাভাবিক রেখে এ ধরণীকে প্রাণিকূলের বাসযোগ্য রাখতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। তাই প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial