প্রধান সূচি

সুন্দরবনের বৈদ্যমারী টহল ফাঁড়িতে কর্মরত বন রক্ষীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের বৈদ্যমারী টহল ফাঁড়িতে কর্মরত বন রক্ষীদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জ্বালানী কাঠ আহরণ, অর্থের বিনিময়ে জেলেদের নিষিদ্ধ সময়ে কাঁকড়া ধরার সুযোগ প্রদানসহ নানা দুর্নীতি ও অনিমের অভিযোগ উঠেছে। ওই ফাঁড়ির ওসি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে কালাম ও নওয়াব আলী নামের দু’জন বনরক্ষী এসব অবৈধ কারবার চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বন মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়াসহ নানা প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়। মোংলার চিলা ইউনিয়নের বৈদ্যমারী ও জয়মনী গ্রামের ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রামবাসী এসব অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে বৈদ্যমারী ফরেষ্ট ক্যাম্পের ইনচার্জ আনোয়ার ওই এলাকার ৫ জন কাঠুরিয়াদের দিয়ে অবৈধভাবে প্রায় ৫০ মন জ্বালানী কাঠ বনের মধ্য থেকে কেটে আনে। এসব কাঠুরিয়াদের এ কাজ বাবদ কিছু জ্বালানী দেয়ার পর তা আবার পুনরায় জব্দ করে নিয়ে যায়। পরে এ কাঠুরিয়াদের নামে বন আইনে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়।

এদিকে, এই ফাঁড়ির বন রক্ষীরা বর্তমানে কাকড়া আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে বনের মধ্য থেকে প্রতি গোনে (১৫ দিন) অসাধু জেলেদের কাঁকড়া ধরার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়ে নৌকা প্রতি ১ হাজার টাকা করে ঘুষ নিচ্ছে। বন রক্ষীদের এ টাকা আদায়ে সহযোগিতা করছে ওই এলাকার সিপিপি কালাম নামের এক দালাল। তিনি ওসি আনোয়ার হোসেনের খুবই ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও বৈদ্যমারী টহল ফাঁড়িতে কর্মরত বন রক্ষীদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নিরীহ গ্রামবাসীকে নানাভাবে হয়রানী করার অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে ওই ফাঁড়ির ওসি আনোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসবই অপরাধী চক্রের অপপ্রচার।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial