মোংলায় স্কুল শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় মামলা দায়ের
মোংলার হলদিবুনিয়ায় এক স্কুল শিক্ষিকাকে লাঞ্চিতের ঘটনায় এলাকার দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় মোংলা থানায় মামলা দায়ের পর পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মোংলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামের দিলিপ হালদার ও প্রতিবেশী রবিন মল্লিক পরিবারের মধ্যে বছর দু’য়েক আগে থেকে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সরকারি ভূমি জরিপকারীসহ চিলা ও চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ প্রথম দফায় এ বিরোধ মিমাংসা করে দেন। কিন্তু এতে রবিন মল্লিকের মনোপুত না হওয়ায় এ দ্বন্দ্ব থেকে যায় দু’পরিবারের মধ্যে। স্থানীয় ক্যাথলিক মিশনের ধর্মযাজকসহ জনপ্রতিনিধিরাও কয়েক দফায় এ বিরোধ মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হয়।
গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে দিলিপ হালদার সীমানা প্রাচীরের ঘেরা-বেড়া সংস্কার করতে গেলে প্রতিপক্ষ রবিন মল্লিকের স্ত্রী মারিয়া মল্লিক, কন্যা মিশনারী স্কুলের শিক্ষিকা প্রনতি মল্লিক তাতে বাঁধা দেয় এবং বাকবিতান্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে দু’পরিবারের নারী-পুরুষরা পরস্পর বিরোধী হামলা ও পাল্টা হামলায় লিপ্ত হলে দু’পরিবারের ৪/৫ জন আহত হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে আহত মারিয়া মান্না হালদার (৫০), ববিতা হালদার (৪০) এবং প্রনতি মল্লিককে তাৎক্ষনিক মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গত বুধবার বিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদের মধ্যে প্রনতি মল্লিককে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মোংলা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধূরী জানান, এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকার পিতা রবিন মল্লিক সুনির্দিষ্ট ১৩ জনসহ অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে মোংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ পলিনা হালদার ও মান্না হালদার নামে মামলার দুই আসামিকে আটক করে শনিবার আদালতে প্রেরণ করেছে।
