বাংলাদেশের উন্নয়নে মালয়েশিয়ান বিনিয়োগকারীদের বিস্ময় প্রকাশ
বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ প্রতিনিধি দল। অল্প সময়ে বাংলাদেশের এত উন্নয়ন দেখে মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গ্রীনল্যান্ড-তিতিজায়ার প্রতিনিধি দল মন্তব্য করে বলেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশীরা সোনার প্লেটে বসে খাবার খাবেন’।
বাংলাদেশের আবাসন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গ্রীনল্যান্ড-তিতিজায়ার গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর তান শ্রী দাতো লিম সুন পেং এর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম এমপি’র সাথে এক বৈঠকে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
বৈঠকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব উম্মে সালমা তানজিয়া, রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক উজ্জল মল্লিকসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মালয়েশিয়ান প্রতিনিধি দল ঢাকার আবাসন খাতে বিজনেস টু বিজনেস অথবা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপের আওতায় বিভিন্ন বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ও আকর্ষণীয় নতুন ধারণা হচ্ছে তরুন কর্মজীবীদের জন্য ‘মাইক্রোহোম’ তৈরীর প্রস্তাব। প্রতিনিধি দল বৈঠকে বলেন, মাইক্রোহোম হবে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা, যেখানে অফিস সুবিধার পাশাপাশি একই স্থানে আবাসন ব্যবস্থা, বিনোদনের সুবিধাসহ জীবন ধারণের সকল ব্যবস্থা থাকবে। ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে অবিবাহিত ও ছোট একক পরিবারের জন্য ‘মাইক্রোহোম’ ধারণাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হবে। ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আবাসন খাতে ‘মাইক্রোহোম’ ধারণা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মালয়েশিয়ান প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশের সাথে মালয়েশিয়ার অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশ এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের সকল সুযোগ-সুবিধা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করছেন। সরকার ১২০টির অধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। মালয়েশিয়ান কোম্পানি চাইলে রাজউক’র পূর্বাচল, ঝিলমিল এবং তুরাগ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারে।
