বাড়ী ঘর লুটের অভিযোগ
ইন্দুরকানীতে আ’লীগ নেতার উপর যুবলীগ নেতার হামলা
ইন্দুরকানীতে ইউপি সদস্য ও বালিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের উপর যুবলীগ নেতার হামলা ও বাড়ী ঘর লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, সোমবার রাতে উপজেলা বালিপাড়া বাজারে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীমের সাথে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াকুব আলীর সাথে কথার কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে যুবলীগ নেতা শেখ শামীম ও তার লোকজন আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াকুব আলীর হামলা করতে গেলে সে একটি দোকানে আশ্রয় নেয়। এ সময় শামীমের লোকজন দোকানটি ঘিরে রাখে। হামলা থেকে রক্ষা পেতে ইউপি সদস্য ইন্দুরকানী থানায় ফোন করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াকুব আলী রাতে বাড়ী ফেরার পথে যুবলীগ নেতা শামীম তার লোকজন নিয়ে বটতলা নামক স্থানে দ্বিতীয়বার তারর উপর হামলা করে। তারা ইয়াকুব আলী, তার সাথে থাকা সাবেক ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর সেপাইকে পিটিয়ে আহত করে। এছাড়া হামলাকারীরা তাকে জিম্মী করে রেখে ওই রাতে তার বাড়ী ঘর লুট করে নগদ লক্ষাধিক টাকা ও স্বর্নালংকার নেয়ার অভিযোগ করেন ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী।
এ বিষয় বালিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কবির হোসেন বয়াতী জানান, স্থানীয় যুবলীগ নেতা শেখ শামীম সোমবার রাতে ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের উপর একাধিকবার হামলা করে তাকে আহত করেছে। তবে বাড়ী ঘর লুটের কথা আমি বলতে পারি না।
হামলার শিকার ইউপি সদস্য ইযাকুব আলী জানান, আমি রাতে থানা থেকে ফেরার পথে বটতলা নামক এলাকায় যুবলীগ নেতা শেখ শামীম তার লোকজন নিয়ে আমার উপর ২য় বার হামলা করে আমাকে ও আমার সাথে থাকা আলমগীর সেপাইকে পিটিয়ে আহত করে। তারা আমাকে জিম্মী করে আমার বাড়ীতে গিয়ে ঘরে থাকা লক্ষাধিক নগদ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা শেখ শামীমকে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও সে ফোনটি রিসিভ করেনি।
ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবীবুর রহমান জানান, শেখ শামীম ও তার সহযোগীরা ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলীর উপর হামলা করেছে। কিন্তু বাড়ী ঘর লুটের বিষয় অভিযোগ থাকলেও কিছু বলা যাচ্ছে না। এখনও মামলা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।
